প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আসন নিয়ে চাপে বিএনপি

সমকাল : আগামী সংসদ নির্বাচনে জোট শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে চাপের মুখে পড়তে যাচ্ছে বিএনপি। নির্বাচনের মাত্র আড়াই মাস বাকি থাকলেও আসনের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় ইতিমধ্যে ২০ দলীয় জোট ছেড়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি। সংশ্নিষ্টরা জানাচ্ছেন, বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আরও কয়েকটি দলও জোট ছাড়ার চিন্তাভাবনার মধ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে, নতুন মিত্র হিসেবে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে’ যোগ দিয়েও আসন বণ্টনের চাপেই পড়তে যাচ্ছে বিএনপি। এরই মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের শরিক গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অন্তত একশ’ আসনে বিএনপির কাছে মনোনয়ন চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ লক্ষ্যে গণফোরাম ৩০, জেএসডি ৩০ ও নাগরিক ঐক্য ৩০ দলের সম্ভাব্য প্রার্থীর খসড়া তালিকা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতারাও নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের জন্য ১০টি আসন চাওয়া হবে। সমকাল ঐক্যফ্রন্টের তিন দলের প্রাথমিক সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা হাতে পেয়েছে। তবে সম্ভাব্য এ তালিকা আরও দীর্ঘ হবে বলে জানিয়েছেন দলগুলোর দায়িত্বশীল নেতারা।

দলীয় সূত্র জানায়, এ পরিস্থিতিতে আসন বণ্টন নিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে বিএনপি। আগের অবস্থান থেকে সরে আসার হিসাব-নিকাশও কষছে দলটি। বিশেষ করে ২০ দলীয় জোটের পাশাপাশি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেও ক্ষান্ত হয়নি তারা। এখন ধর্মভিত্তিক কয়েকটি রাজনৈতিক দল এবং বামপন্থি আরও কয়েকটি দলকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে ভিড়িয়ে জোটের পরিধি বড় করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী জোটের পরিধি বৃদ্ধি ও নাগরিক সমাজের উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিকে পাশে পেলে আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ছাড় দিতে পারে সংসদের বাইরে থাকা বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমকালকে বলেছেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ সাত দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি পালনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায় হলে নির্বাচনে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা করবেন। অবশ্য ২০ দলীয় জোটের যোগ্য প্রার্থীদের জোটগত মনোনয়ন দেওয়া হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গেও নির্বাচনী মোর্চা হতে পারে। একসঙ্গে নির্বাচন করলে ঐক্যফ্রন্টভুক্ত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে আলোচনার মাধ্যমে যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীদের জোটগত মনোনয়ন দেওয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি কত আসন জোটের শরিকদের দেবে, তা এখনই বলা যাবে না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি যে কোনো ত্যাগ স্বীকার ও ছাড় দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না সমকালকে বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর এখন দাবি আদায়ের কর্মসূচি নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী এবং আসন বণ্টন নিয়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। দাবি আদায়ের পরই প্রার্থী ও আসনের বিষয়টি আসবে।

জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন সমকালকে বলেন, আসন ভাগাভাগির বিষয়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ে আগামী ২৩ অক্টোবর সিলেটের সমাবেশসহ সারাদেশে বিভাগীয় ও জেলা শহরে সমাবেশই এখন মুখ্য বিষয়।

গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী সমকালকে বলেন, আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনার সময় এখনও আসেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নানা টানাপড়েনের পর বিএনপির সঙ্গে ঐক্য গড়ার পর বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জেএসডি, মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্যের দায়িত্বশীল নেতারা সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রার্থীদের নামের খসড়া তালিকা তৈরিতে দফায় দফায় বৈঠক করছেন। একটি খসড়া তালিকাও তৈরি করছেন দায়িত্বশীল নেতারা। অনানুষ্ঠানিকভাবে দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে জনপ্রিয় নেতাদের নির্বাচনে প্রার্থী হতে প্রস্তুতি নেওয়ারও নির্দেশনা দিচ্ছেন।

সরেজমিনে পার্টিগুলোর কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও দলের নেতাকর্মীরা প্রতিদিন ভিড় করছেন। অনেক দিন নিষ্ফ্ক্রিয় থাকলেও এখন মনোনয়নের আশায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। মনোনয়নের জন্য লবিং শুরু করেছেন। অনেকে বিএনপির বর্তমান সংকটের কথা বলে তাদের কাছ থেকে বেশি আসন নিয়ে ‘নির্বাচনী মোর্চা’ করারও পরামর্শ দিচ্ছেন।

ঐক্যফ্রন্টের তিন দলের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, প্রাথমিকভাবে তারা ৩০টি করে আসন চাওয়ার চিন্তাভাবনা করলেও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।

গণফোরামের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা :জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক গণফোরামের সম্ভাব্য প্রার্থীসংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। এখন পর্যন্ত গণফোরাম থেকে ৩০টি আসন চাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে দলটির হাইকমান্ড।

অবশ্য নাগরিক সমাজের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে নির্বাচন করবেন। সুশীল সমাজের এ প্রতিনিধিরা বিএনপির পাশাপাশি গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসিন মন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ২০-২৫ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতা রয়েছেন। এ দৌড়ে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহমেদ মৌলভীবাজার-২ আসনে মনোনয়ন চাইবেন। একই সঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করতে পারেন।

ড. কামাল হোসেন ঢাকার একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন। গণফোরামের মোস্তফা মোহসিন মন্টু ঢাকা-২ অথবা ঢাকা-৩ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী চট্টগ্রাম-১২ ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন ফেনী-১ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন।

গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা মফিজুল ইসলাম খান কামাল মানিকগঞ্জ-৩, এস এম আলতাব হোসেন নরসিংদী-২, কামাল উদ্দিন আহমেদ ঢাকা-২০, এ এইচ এম খালেকুজ্জামান ময়মনসিংহ-৮, অ্যাডভোকেট আবদুল আজিজ পটুয়াখালী-১, কান্তিপদ ঘোষ মৌলভীবাজার-৪, জগলুল হায়দার আফ্ররিক নরসিংদী-৩, আ ও ম শফিকউল্লাহ লক্ষ্মীপুর-২, রফিকুল ইসলাম পথিক মেহেরপুর-২, হাসিব চৌধুরী হবিগঞ্জ-৩, জানে আলম চট্টগ্রাম-১০, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বীরপ্রতীক শেরপুর-৩, সেলিম আকবর চাঁদপুর-৩, দেলোয়ার হোসেন চুন্নু নারায়ণগঞ্জ-৪, ফরিদা ইয়াসমিন নরসিংদী-৪, কাজী হাবিব ঢাকা-৭ (কোতোয়ালি-সূত্রাপুর), ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম গাজীপুর-১, মামুনুর রহমান জয়পুরহাট-২, আলী নূর খান বাবুল সাতক্ষীরা-২, মেজর (অব.) আমিন আহমেদ আফসারি গাজীপুর-৫, সফিউর রহমান খান বাচ্চু কিশোরগঞ্জ-২, অ্যাডভোকেট মোমেন চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৪, রঞ্জিত শিকদার চট্টগ্রাম-১৫ ও আবদুর রশীদ মাখন মৌলভীবাজার-৩ আসনে মনোনয়ন চাইবেন।

জেএসডির সম্ভাব্য প্রার্থী :জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডিও ৩০টি আসন চাইবে জোটের কাছে। তবে সব আসনেরই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দল ও জোটের মনোনয়ন চূড়ান্ত হলে বাকিদের বসে যেতে বলা হবে। জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে অথবা ঢাকার কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন। দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন। সহসভাপতি তানিয়া রব ঢাকা-১৮ (উত্তরা), কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটওয়ারী ঢাকা-১৪ মিরপুর আসনের মনোনয়ন চান।

এ ছাড়া সাবেক এমপি ও জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি এম এ গোফরান লক্ষ্মীপুর-১, সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি দবির উদ্দিন জোয়ার্দার ঝিনাইদহ-১, সাবেক এমপি অধ্যাপক হুমায়ুন কবির হিরু বরগুনা-১, সহসভাপতি দেওয়ান ইস্কান্দার রাজা চৌধুরী সুনামগঞ্জ-৪, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মতিউর রহমান মতি টাঙ্গাইল-৬, সহসভাপতি এম এ জলিল নোয়াখালী-৩, সহসভাপতি সোহরাব হোসেন ঝালকাঠি, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হাই দিনাজপুর, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল লক্ষ্মীপুর-৩, উল্লাপাড়ার সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু ইসহাক সিরাজগঞ্জ-৪, জামালপুর সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আমির উদ্দিন জামালপুর-৪, আবছার উদ্দিন সাতক্ষীরা-৫, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আনছার উদ্দিন নোয়াখালী-১, নাজমুল হক সিকদার নরসিংদী-৫, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম জাবির কুমিল্লার বাঞ্ছারামপুর আসন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাউসার নিয়াজী নোয়াখালী-৪, ফেনীর সভাপতি হিরালাল চক্রবর্তী ফেনী-২, সহসম্পাদক এম এ ইউসুফ লক্ষ্মীপুর-২, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম জাবির ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কপিল উদ্দিন মাহমুদ ফেনী-১, আমিন উদ্দিন বিএসসি রংপুর, অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান মাস্টার কিশোরগঞ্জ, আডভোকেট তৈয়মুর রেজা চৌধুরী শাহজাদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট হামিদ তালুকদার সিরাজগঞ্জ সদর ও জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন খুলনার একটি আসন থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান।

নাগরিক ঐক্যের সম্ভাব্য প্রার্থী :জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্য ৩০টি আসন চাইতে পারে বিএনপির কাছে। মান্না বগুড়া-২ বা ঢাকা-১৭ (গুলশান) আসনে মনোনয়ন চাইবেন। তার দলের অন্যতম নেতা এস এম আকরাম হোসেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন।

ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা মোমিনুল ইসলাম লিটন লক্ষ্মীপুর-১, ছিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপু সিলেট-১ বা ৬, শহিদুল্লাহ কাওসার চাঁদপুর-১, ফজলুল হক সরকার চাঁদপুর-৩, ইকবাল কবির কুমিল্লা-১, শাহীন জাহান বেগ ঢাকা-১৬, রবিউল ইসলাম সাতক্ষীরা-২, মাহবুব আলী সাতক্ষীরা-৪, হাবিবুর রহমান রিজু ঝিনাইদহ-২, মাহবুবুল হক কমল/আনোর গাজীপুর-৫, দিদারুল আলম বাবুল বাগেরহাট-৩, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ-২, শাহীনুল আলম শাহীন/রানু আহমেদ পাবনা-৪, আনিসুর রহমান খসরু ঢাকা-১৭, এমরাজুল ইসলাম রুবেল ফরিদপুর-১, আতিকুর রহমান ঢাকা-১, শিউলী সুলতানা রুবী নওগাঁ-৪, এস এম কবির হাসান জামালপুর-৪, আমিনুল ইসলাম বাদশা কুমিল্লা-১১, সৌরভ হোসেন চট্টগ্রাম-২, আনোয়ার শাহাদাত চৌধুরী অপু গাজীপুর-২, শেখ দেলোয়ার হোসেন গোপাল-৩ নূরুর রহমান জাহাঙ্গীর বরিশাল-৪, জহির হোসেন বাগেরহাট-৪, কাজী মুক্ত নড়াইল-১ এবং মোফাখুল ইসলাম নবাব রংপুর-৫, দেওয়ান মিনহাজ গাজী হবিগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থী হতে চান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নাগরিক ঐক্যের এক কেন্দ্রীয় নেতা সমকালকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ৩০ জনের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যোগ্যতা ও এলাকায় জনপ্রিয়তার দিক থেকে তারা শক্তিশালী প্রার্থী। এ ছাড়া আরও ৩০ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকাও হচ্ছে। নাগরিক ঐক্য নির্বাচনের জন্য অর্ধশত নেতাকে প্রস্তুত রাখবে।

সর্বাধিক পঠিত