Skip to main content

ফোনে নয়, ক্ষমা চাইতে হবে প্রকাশ্যেই : মাসুদা ভাট্টি

মাহফুজ উদ্দিন খান : একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে আসা অতিথি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন-এর কাছ থেকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অসৌজন্যমূলক মন্তব্যের শিকার দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র নির্বাহী সম্পাদক মাসুদা ভাট্টি বলেছেন, ব্যারিস্টার মইনুল ‘চরিত্রহীন’ শব্দটি বেছে নিয়ে শুধু আমাকে নয় গোটা নারী সমাজকেই অপমান করেছেন। তিনি আমার কাছে ফোনে ক্ষমা চেয়েছেন। যেহেতু তিনি অন-এয়ারে টেলিভিশনে এসব কথা বলেছেন, এভাবে একা ফোনে বললে তো হবে না। তাকে ক্ষমা চাইতে হবে প্রকাশ্যেই। মঙ্গলবার রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের লাইভ টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে একথা বলার পর আজ তার কাছে ফোন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে এ প্রতিবেদককে তিনি এসব কথা বলেন। ফোনে ব্যারিস্টার মইনুল দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র নির্বাহী সম্পাদক মাসুদা ভাট্টিকে বলেন, ‘আমার ব্যবহারটা অত্যন্ত লজ্জাজনক হয়েছে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি।’ তবে ফোনে মাসুদা ভাট্টি তাকে জবাব দেন, ‘আপনি তো আমাকে অন-এয়ারে টেলিভিশনে এসব কথা বলেছেন, এভাবে একা ফোনে বললে তো হবে না।’ উত্তরে ব্যারিস্টার মইনুল বলেন, ‘যদি টেলিভিশনে সুযোগ হয় আমি সেখানেও বলবো।’ এ বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মী মাসুদা ভাট্টি বলেন, উনি ক্ষমা চেয়ে আমার কাছে ফোন করেছিলেন কিন্তু আমি বলেছি এভাবে ক্ষমা চাইলে হবে না। যেহেতু আমাকে উনি অন-এয়ারে বলেছেন, তাই ক্ষমাটা অন-এয়ারেই চাইতে হবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানাবেন বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার রাতের ওই টকশোতে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি প্রশ্ন করেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আপনি যে হিসেবে উপস্থিত থাকেন- আপনি বলেছেন আপনি নাগরিক হিসেবে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, আপনি জামায়াতের প্রতিনিধি হয়ে সেখানে উপস্থিত থাকেন।’ মাসুদা ভাট্টির এই প্রশ্নে রেগে গিয়ে মইনুল হোসেন বলেন, ‘আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। আমার সঙ্গে জামায়াতের কানেকশনের কোনো প্রশ্নই নেই। আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।’

অন্যান্য সংবাদ