প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশে দারিদ্র্য কমলেও বাড়ছে অর্থনৈতিক বৈষম্য

সাজিয়া আক্তার : আজ বিশ্ব দারিদ্র্য বিমোচন দিবস। বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে সন্তুষ্টি থাকলেও, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য যেমন বাড়ছে, তেমন বাড়ছে অর্থনৈতিক বৈষম্যও। আবার দারিদ্র্য হার নির্ণয়ের পরিমাপক নিয়ে আপত্তি আছে অর্থনীতিবিদদের। মধ্যম আয়ের স্বীকৃতি পেতে যাওয়া একটি দেশের দারিদ্র্য রেখা আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী হওয়া উচিত। সূত্র : ডিবিসি টেলিভিশন

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিদিন দারিদ্র্যমুক্ত হচ্ছেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। বছরে এই সংখ্যা ১৯ লাখ ৬৫ হাজার।

২০১০ সালে দেশের মোট আয়ে সবচেয়ে গরিব ৫ শতাংশ মানুষের আয়ের অংশ ছিলো শূণ্য দশমিক ৭৮। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে শূণ্য দশমিক ২৩ শতাংশে। একই সময়ে সবচেয়ে ধনী ৫ শতাংশের আয়ের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ।

দারিদ্র্য পরিমাপে খাদ্য বা ক্যালরি গ্রহণ পদ্ধতি এবং মৌলিক চাহিদা ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে পরিসংখ্যান ব্যুরো। ২ হাজার ১২২ ক্যালরির কম খাদ্য খেলে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পোশাকসহ ১১টি চাহিদা পূরণের খরচ না মেটাতে পারলে, তাকে দারিদ্র্য বিবেচনা করা হয়।

অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দীন মাহমুদ বলেছেন, আমরা যে আয় নির্ধারণ করেছি, এটা বিশ্বব্যাপী তুলনা করার জন্য যেই দারিদ্র্য সীমার আয় থাকে, সেটা দিয়েই নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারিভাবে দারিদ্র্য সীমার হার এখন আমরা যেটা বলছি তার থেকে অনেক বেশিই হবে। আয়ের বৈষম্য যদি বাড়তে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে আমরা দারিদ্র্যকে কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে যে লক্ষ্যমাত্রাগুলো ঠিক করেছি সেগুলোকে অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

সম্পদের বৈষম্যের অবস্থা আরও ভয়াবহ। এ বৈষম্য বের করতে ব্যবহার করা হয় গিনি কো-এফিশিয়েন্ট। যেখানে হিসাবের ফল শূন্য হলে বোঝায় পরিপূর্ণ সমতা। আর ১ হলে বোঝায় সম্পূর্ণ বৈষম্য। বাংলাদেশে এ হার শূন্য দশমিক সাত চার। অর্থাৎ পরিপূর্ণ বৈষম্যের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।

সম্পাদনা : সালেহ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত