প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিআরটিএ’র অনুমোদনের পর বদলে যাচ্ছে গাড়ির আকার

উল্লাস মূর্তজা : বিআরটিএ’র অনুমোদনের পর বদলে যাচ্ছে গাড়ির বডি বা আকার। মালিকরা ইচ্ছামত আকার বড় করছে, আবার ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানকে বানানো হচ্ছে বাস-মিনিবাস। যানবাহনের মৌলিক কাঠামো বদলে যাওয়ায় দেখা দেয়া নানা কারিগরী সমস্যা। এসব যানবাহন সড়ক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ফিটনেস সনদ দেয়ার পর এগুলো যথাযথ ভাবে পরীক্ষাও করা হয় না।

রাজধানীর অদূরে আমিনবাজার এলাকায় দেখা যায়, ওয়ার্কশপে বাস ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের বডি তৈরি হচ্ছে। আমদানি করা চেসিসের ওপর বসানো হয় এসব বডি। আমদানি করা ১৫ থেকে ২২ ফুট দের্ঘের চেসিসের সামনে এবং পেছনে জোড়া লাগিয়ে আকার বড় করছে ওয়ার্কশপের কারিগররা। এভাবে ১৫ ফুট দৈর্ঘ্যরে চেসিস হয়ে যায় ১৭ ফুট। আর ১৭ ফুটের চেসিস করা হয় ২১ থেকে ২২ ফুট।

আর ঢাকার ওয়ার্কশপগুলোতে দেখা যায়- পুরাতন এবং বাতিল গাড়ির চেসিসের নম্বর ঠিক রেখে বড় করা হচ্ছে। পরে রং লাগিয়ে ঝকঝকে চকচকে করে আবারো বডি বসিয়ে নামানো হয় রাস্তায়।

‘বিআরটিএ’ পরিচালক ও মুখপাত্র শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী জানান, ‘রেজিষ্ট্রিকৃত ওয়ার্কশপ বাংলাদেশে নাই বললেই চলে। শত শত ওয়ার্কশপ থাকলেও কেউ লাইসেন্স গ্রহন করেনি ইতিমধ্যে অনেকবার তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

দেশের ত্রিশ হাজারের মতো ওয়ার্কশপ গাড়ির বডি তৈরি ও মেরামতের কাজ করে। এগুলোর কোনটিরই বিআরটিএ’র অনুমোদন নেই। ২০০৯ সালে এসব ওয়ার্কশপকে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে নিবন্ধন নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।’
কিন্তু বিআরটিএ’র এমন বক্তব্য মানতে রাজি নন বাংলাদেশ অটোমোবাইলস ওয়ার্কসপ মালিক সমিতি।

বাংলাদেশ অটোমোবাইলস ওয়ার্কসপ মালিক সমিতির মহাসচিব জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘সবগুলো ওয়ার্কশপই শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত এবং অটোমোবাইলস ওয়ার্কসপ মালিক সমিতির সনদপত্র গ্রহন করা বাধ্যতামুলক।’

সূত্র : বৈশাখী টেলিভিশন