প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বৈশ্বিক সক্ষমতা সূচকে একধাপ পেছালো বাংলাদেশ

এস এম এ কালাম: নতুন মেথডলজিতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচক বা গ্লোবাল কম্পিটিটিভ ইনডেক্সে (জিসিআই) একধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থান ১০৩। এর আগে বাংলাদেশের ১০২তম অবস্থানে ছিল। তবে এই সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে চার ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক সূচকে পাকিস্তানের অবস্থান ১০৭।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন সিপিডি’র গবেষক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। প্রতিবেদন প্রকাশ শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন ও সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান।

সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বৈশি^ক সক্ষমতায় বাংলাদেশের অবস্থান একধাপ পিছিয়েছে। এবার প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে চালানো জরিপের ভিত্তিতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বুধবার বিশ্বব্যাপী একযোগে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রতিষ্ঠান, আইসিটি এডাপশন, পণ্য বাজার, শ্রম বাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের আকার, স্বাস্থ্য, উদ্ভাবনী সক্ষমতা, অবকাঠামো, দক্ষতা ও মানব উন্নয়নসহ ১২টি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। যাতে ভোট দেন নিজ নিজ দেশের ব্যবসায়ী-অর্থনীতিবিদরা।

তবে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বলছে, সূচকের মানদণ্ডগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ বেশ কয়েকটি সূচকের উন্নতি হলেও বাংলাদেশের পণ্য বাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের গতিশীলতায় অবনতি হয়েছে। এসব মানদণ্ডের ভিত্তিতে ১০০ ভিত্তিক সূচকে সব মিলিয়ে এবার বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ৫২.১, যার গতবছরের স্কোরের চেয়ে ০.৭ বেশি।

গতবছর এ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানে সাত ধাপ, তার আগের বছর এক ধাপ অগ্রগতি হয়েছিল। এবার ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এই সূচক তৈরির মেথডলজিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তুলনা করার সুবিধার জন্য এ প্রতিবেদনে গত বছরের সুচকের অবস্থানও নতুন মেথডলজিতে প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকায় এবার শীর্ষস্থান যুক্তরাষ্ট্রের। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তালিকায় সিঙ্গাপুর ও জার্মানি রয়েছে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে। এরপরে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, জাপান, নেদারল্যান্ডস, হংকং, যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও ডেনমার্ক।

এদিকে,এশিয়ার মধ্যে মালয়েশিয়ার উন্নতি হয়েছে। একধাপ এগিয়ে বর্তমানে ২৫ অবস্থান করছে। আর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ৫ ধাপ এগিয়ে ভারতের অবস্থান ৫৮তম। আগে ভারতের অবস্থান ছিল ৬৩। শ্রীলঙ্কা ৫৬ স্কোর নিয়ে সূচকের ৮৫তম, ৫১ স্কোর নিয়ে পাকিস্তান সূচকের ১০৭ নম্বরে এবং নেপাল ৫০.৮ স্কোর নিয়ে ১০৯ নম্বর অবস্থানে রয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম ২০১০ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ