প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রায়ের কারণে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে না: হাইকোর্ট

পরিবর্তন : কোনো রায়ের কারণে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এক মামলার শুনানির সময় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মন্তব্য করেন।

সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে দায়িত্বরত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহারিন ও একেএম আমিন উদ্দিন মানিক এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আর দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. ওমর ফারুক। আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার।

আইনজীবী মানিক জানান, ‘খুলনা জেলার খালিশপুর থানার (মামলা নং ৪৩ তারিখ ২৯ জুন ২০০৭) একটি মামলার আসামি মংলা কাস্টম হাউজের সাবেক কমিশনার ও বর্তমানে বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলামের মামলা বাতিলের আবেদন শুনানিকালে হাইকোর্ট এই মন্তব্য করেন।’

তিনি বলেন, ‘মংলা কাস্টম হাউজে বন্ড লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে মেসার্স পোর্টল্যান্ড সার্ভিসেস কর্তৃক বিভিন্ন অনিয়ম করে এক কোটি ঊনাশি লক্ষ চুরানব্বই হাজার তিনশ ষাট টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ এনে দুদকের উপ-পরিচালক মো. আবুল হোসেন বাদী হয়ে মো. নুরুল ইসলাম ও মেসার্স পোর্টল্যান্ড সার্ভিসের মালিক এম এ তোহাকে আসামি করে এই মামলাটি দায়ের করেন। উক্ত বন্ড হাউজের বিরুদ্ধে অনিয়মের মাধ্যমে শুল্কফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠায় সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত কমিটি অনিয়মের কথা বললেও সাবেক কমিশনার মো. নুরুল ইসলাম এক ন্যায় নির্ণায়ক আদেশে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে মেসার্স পোর্টল্যান্ড সার্ভিসেসকে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ থেকে মুক্তি দেন। পরে কাস্টম এক্সসাইজ ও ভ্যাট ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সাবেক কমিশনারের জারিকৃত ন্যায় নির্ণায়ক আদেশ রদ ও রহিত করে রিমান্ডের মাধ্যমে মামলাটি পুনঃ ন্যায় নির্ণায়নের জন্য পাঠালে মোট ১,৭৯,৯৪,৩৬০ টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ নির্ধারিত হয়।

আদালত বলেন, ‘একজন বিচারক রায় যাই দিয়ে থাকুক, তার জন্য বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে না।’

পরে আদালত আসামিপক্ষের মামলা বাতিলের আবেদনের উপর শুনানি শেষে মামলা কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন ও ছয় সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ