প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্রেনেড হামলা মামলার রায় বাতিলের দাবি বিএনপির

শিমুল মাহমুদ: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলটি আওয়ামী লীগ নেতা ও নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী কাহার আকন্দকে বাদ দিয়ে নিরপেক্ষভাবে পুনর্তদন্ত করে পুনরায় বিচার কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানায়।

মঙ্গলবার(১৬অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ দাবি জানায়।

তিনি বলেন, ২১শে আগষ্টের গ্রেনেড বোমা হামলা নিয়ে শুরু থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আচরণ, বক্তব্য ও মন্তব্য সামঞ্জস্যহীন ও রহস্যাবৃত।

মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগ ৩ দিন ধরে প্রচার প্রচারণা চালালো, আর ২১ আগষ্ট সমাবেশের দিন হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল করে কেন দলীয় অফিসের সামনে গেল ?

রিজভী বলেন, ২১ আগস্ট ২০০৪ তারিখে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আলোচ্য সেই সমাবেশে তিনি প্রায় ২০/২২ মিনিট ধরে যে বক্তৃতা করেন, সেই বক্তৃতায়ও তিনি একটিবারের জন্যও বলেননি যে, পুলিশি অনুমতি না পাওয়ার কারণে তাঁকে মুক্তাঙ্গনে সভা না করে এখানে করতে হচ্ছে।

রিজভী বলেন, বিএনপি সরকারের সময় বাংলাদেশ পুলিশি রাষ্ট্র ছিল না। অবারিত ছিল গণতন্ত্র। ফলে রাজধানীতে জনসভার জন্য সিটি কর্পোরেশনের নিকট থেকে অনুমতি গ্রহণের পর নিয়ম ছিল মাইক ব্যবহারের অনুমতি নিতে হতো পুলিশের থেকে।

তিনি আরো বলেন, মূল চার্জশিট দাখিলকারী কর্মকর্তা এএসপি ফজলুল কবিরের কাছে গত ২২ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে জবানবন্দী প্রদানকালে সমাবেশে পুলিশের অনুমতি না দেয়ার কথা বলেন। অথচ সমাবেশে পুলিশের অনুমতি প্রদান না করার বিষয়টি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ২০ আগষ্ট ২০০৪ তারিখ হতে ২২ নভেম্বর ২০০৭ পর্যন্ত প্রায় সোয়া তিন বছর সময়কালে কখনোই কোন সভা-সমিতি-সাক্ষাৎকার-আলোচনা-বিজ্ঞপ্তি-প্রচারণা ইত্যাদি কোথাও তিনি উল্লেখ করেননি।

বিএনপির এ নেতা বলেন, প্রশ্নাতীতভাবে সত্য যে, পুলিশ ১৯ আগষ্ট ২০০৪ তারিখেই তাদের অনুমতি দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে প্রকৃত ঘটনা মিলছে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করে বাকশাল কায়েম করছে সরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ