প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চলছে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা
নদী-বাজার ফাঁকা, জেলেরা বেকার জীবন কাটাচ্ছেন

আমজাদ হোসেন আমু, কমলনগর (লক্ষ্মীপুর): বাংলাদেশ মৎস্য গবেষনা ইনস্টিটিউটের মতে, একটি ইলিশ একবারে গড়ে দশ থেকে বারো লক্ষ ডিম ছাড়ে। তাই প্রজনন রক্ষায় মা ইলিশসহ নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বাধা-বিপত্তি না থাকায় নির্বিঘ্নে মা ইলিশ ডিম ছাড়ছে।

রোববার ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পযর্ন্ত নদীতে নিষেধাজ্ঞা চলবে। নদীতে সব ধরণের নিষেধাজ্ঞা থাকায় জেলেরা মাছ শিকারে যান না।

আজ মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনারপাড় ও আড়ত, মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, লুধুয়া মাছ ঘাট, মাতাব্বরহাট মাছ ঘাট, মতিরহাট মাছ ঘাট, জারিরদোনা মাছ ঘাট, কমলনগরের বিভিন্ন মৎস্য বাজার, হাজিরহাট, লুধুয়া, মতিরহাট, তোরাবগঞ্জ বাজারসহ প্রায় মাছের বাজার ফাঁকা । এ সময় নদীও জেলেশূণ্য, মৎস্য বাজার ফাঁকা। জেলেরা বেকার জীবন কাটাচ্ছেন।

যতদূর চোখ যায় কেবল পানি আর পানি। এ সময় একটিও মাছ ধরার নৌকা দেখা যায়নি।

জেলেদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রায় জেলেই বেকার। কোন কাজ নেই। মহাজনের টাকা দেনা এখনো অনেকে শোধ করতে পারেনি। সংসার চলে না। এসব আকুতি নিয়ে দিনপার করছে। সরকারি সুযোগ- সুবিধা প্রায় জেলেই পায় না। যারা পায় তারা টাকা দিয়ে পায়।

ইউএসআইডি, ইকোফিস প্রকল্পসহ সব ধরণের সুবিধা থেকে কমলনগরের জেলেরা বঞ্চিত। মৎস্য কর্মকর্তা জানায় আমরা কোন প্রকল্প থেকে কোন ধরনের সুযোগ সুবিধা পায় না।

অন্যদিকে, প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ মা ইলিশ রক্ষায় তৎপর। যে কারণে জেলেরা ভয় ও আতঙ্কে নদীতে মাছ শিকারে যাচ্ছেন না।

৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর এসময় মাছ শিকার, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ। এ আইন আমান্য করলে জেল অথবা জরিমানা এবং উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

কমলনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ কাজ করছে। জেলেদের সচেতন করতে হাটে-ঘাটে সচেতনতামূলক সভা করা হচ্ছে। মাইকিং, পোস্টার, লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ