প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করলে বাকস্বাধীনতা হরণ হয়

নূহ উল আলম লেনিন: বিএনপি প্রতিনিয়তই ভিত্তিহীন কথা বলছে। তাদের সাথে রোজ টকশোতে আমাদের দেখা হয়। এমন কোনো কথা নেই যা তারা টকশোতে বলেন না। তাদের এসকল মিথ্যাচারগুলো বাধাতুল্য বলেই আমি মনে করি। বিএনপির সিনিয়র মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভি তার অফিসে বসে বলেছেন ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা হয়েছে আওয়ামী লীগের ইঙ্গিতে। এমন ধরনের মিথ্যাচার এবং কুৎসিত মন্তব্য করেও পার পেয়ে গেছেন। তাহলে বাকস্বাধীনতার কথা কোথা থেকে আসে? তারা যখন মিথ্যাচার করেন তখনতো কেউ তাদের মুখ চেপে ধরে না। বাকস্বাধীনতা কি তারা জনেন? আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়, আইন সকলের জন্য সমান।

সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। কাউকে হয়রানি করার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়নি। যাদের গ্রেপ্তার করা হয় তারা কোনো না কোনো ভাবে ক্রাইমের সাথে জড়িত। এক্ষেত্রে বিএনপির নেতারা যদি বলেন, তাদের দলীয় নেতা কর্মীদের অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করছে তাহলে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করছে বিএনপির। গ্রেপ্তারের সাথে বাকস্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই। ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী টকশোতে বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধানকে নিয়েও মিথ্যাচার করেছেন। এবং পরে তিনি স্বীকার করেছেন যে, তিনি যা বলেছেন তা ভুল বলেছেন। তাদের এমন মিথ্যাচারকে কি বাকস্বাধীনতা বলা হয়? আর তাদের এগুলো করতে দিলেই দেশে বাকস্বাধীনতা আছে এবং বাধা দিলেই তারা বলে তাদের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে লক্ষ করে বিএনপি যে ঐক্য গড়বে নির্বাচনকালীন সময়ে তার কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। এবং তাদের এই ঐক্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিংবা জাতীয় রাজনীতিতে কোনো প্রভাব সৃষ্টি হবে না।

পরিচিতি : সাবেক সভাপতিমন্ডীর সদস্য, আওয়ামী লীগ/ মতামত গ্রহণ : তাওসিফ মাইমুন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ