প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে আছে স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামোর উপর: জোনায়েদ সাকি

সাজিয়া আক্তার : যমুনা টেলেভিশনের এক টকশোতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমণ্বয়ক বামপন্থী নেতা জোনায়েদ সাকি বলেছেন, রাজনীতির মাঠে বামপন্থীরাই আছেন বলে মনে করি আমি। স্বৈরতান্ত্রিক ক্ষমতার কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে আছে পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাটা। যদি সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যেতে হয় তাহলে সাংবিধানিক স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামো বদলাতে হবে, সংবিধান সংস্কার করতে হবে।

তিনি বলেন, এদেশের জনগণের প্রত্যেকটি ইস্যু নিয়ে বামপন্থীরাই আন্দোলনে আছেন। নির্বাচন ব্যবস্থাকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় সেখানে মানুষের কোনো ভোটাধিকার থাকে না। যে সমস্ত নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পেরেছে সেখানেও টাকার খেলা, পেশী শক্তি, প্রশাসনিক কারসাজি, নানাভাবে সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহার করে এটার নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাতে এখনো পর্যন্ত রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিনিধিরা নির্বাচনী জায়গায় খুব বেশি সফল হতে পারছেন না। কিন্তু রাজপথে সংগ্রামের প্রশ্ন তুললে কারা সংগ্রাম করছে সরকারের বিভিন্ন অপতৎপরতার বিরুদ্ধে?

জোনায়েদ সাকি জানান, ‘আমরা মনে করি জনগণের মধ্যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে সেটাতে আমাদের সংগ্রাম অনেকখানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেই জায়গাগুলো সুনির্দিষ্ট করা এই বিষয় নিয়ে লড়াই সংগ্রামের কথা বলা এবং এই বিষয়গুলো চিহ্নত করার চেষ্টা করছি আমরা।

জোনায়েদ সাকি আরো বলেন, কোন দল কী রাজনীতি করবে এটা যার যার আর্দশিক অবস্থান থেকে তারা ঠিক করবেন। সরকারি দল এবং বিরোধী দলের দিক থেকে যে বিষয়টি মিল আছে সেটা হচ্ছে রাজনীতি কীভাবে চলবে সেই বিষয়টা ঠিক করা। সেটার জন্য নূন্যতম নির্বাচন ব্যবস্থা এবং আইনের দরকার। একের পর এক অগণতান্ত্রিক আইন হতে থাকলে আইনের শাসনও অগণতান্ত্রিক শাসন হয়ে যায়। তাই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা রাখতে হবে। যার কারণে আমাদের আইনগুলো গণতান্ত্রিক করতে হবে। সেটার জন্য স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলতে হবে। সেটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন দরকার।

আওয়ামী লীগ বলছে জামায়াত আছে বিএনপি জোটে। আমরা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কথা বলেছি এবং আমাদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছি। ৭১ সালে জামায়াতের ব্যাপারে মীমাংসা হয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ