Skip to main content

মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে ৫দিনব্যাপী দুর্গাপূজা শুরু

স্বপন কুমার দেব, মৌলভীবাজার : মহাষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে সোমবার থেকে শুরু হবে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। এদিনে দুর্গাদেবীর মূল পূজা শুরু হয়ে শুক্রবার বিজয়া দশমী পর্যন্ত ঢাকের বাদ্যে মুখরিত থাকবে প্রতিটি পূজা মণ্ডপ। পঞ্জিকা মতে-আজ সকাল ৯-৫৭ মিনিটের মধ্যে মহাষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ, সায়ংকালে দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস। । সোমবার রাত ৮টা ২৩ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড পর্যন্ত তিথি থাকবে। পরে শুরু হবে মহাসপ্তমী তিথি। কাল মহাসপ্তমীর প্রভাতে ঢাক-ঢোল-কাঁসর বাজিয়ে কলাবউ স্নান ও মা দূর্গাদেবীর বিহীত পূজা। বুধবার মহাঅষ্টমীতে সিলেটের রামকৃষ্ণ মিশন ও হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে অনুষ্ঠিত হবে কুমারী পূজা। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে নবমী বিহীত পূজা। পরদিন শুক্রবার সকাল ৭টায় পূজা সমর্পণ ও পরে দর্পণ বিসর্জন-শান্তিজল গ্রহণ। এবার মৌলভীবাজার জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলায় ৯৯৭টি মণ্ডপে পূজা উদযাপন হবে। সোমবার সকাল ৬টা ৩০মিনিটে কল্পারম্ভ এবং বোধন আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যদিয়ে উৎসবের প্রথম দিন ষষ্ঠী পূজা সম্পন্ন হবে। এদিন সকাল থেকে চণ্ডিপাঠে মুখরিত থাকবে সব মণ্ডপ এলাকা। উৎসবের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার মহাসপ্তমীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৬টায়। বুধবার মহাঅষ্টমীর পূজা আনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায় এবং ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে কুমারী পূজা। সন্ধিপূজা শুরু হবে দুপুর ১২টা ৫৬ মিনিটে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৩০মিনিটে শুরু হবে নবমী পূজা। পরদিন শুক্রবার সকাল ৭টায় পূজা সমর্পণ ও দর্পণ বিসর্জন হবে সকাল ৮টায়। পরে প্রতিমা বিসর্জন ও শান্তিজল গ্রহণের মধ্যদিয়ে শেষ হবে পাঁচদিনব্যাপী এ উৎসব। এদিকে দুর্গোৎসব ঘিরে জেলাজুড়ে থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কর্তব্য পালন করবেন। র‌্যাব-পুলিশের সদস্যরা স্ট্যান্ডবাই ডিউটি ছাড়াও থাকবে টহল পার্টি। বখাটেদের উৎপাত ঠেকাতে পুলিশের নারী সদস্যরাও সাধারণ পোশাকে বিচরণ করবেন সর্বত্র। দুর্গাপূজাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাতে কোনো গুজব না ছড়ায়, তা তদারকি করবেন পুলিশের চৌকস কর্মকর্তারা। এরইমধ্যে পূজা উদযাপনে ২৫ নির্দেশনা জারি করেছে জেলা পুলিশ। এসবের মধ্যে চুরি ছিনতাইসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রোধে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখা, মণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থার পাশাপাশি স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর ও হ্যাজাক লাইটের ব্যবস্থা রাখা। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখার জন্য বলা হয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ