প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রংপুরে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে যেতে নিষেধ করেছেন শিক্ষক!

মোস্তাফিজার রহমান বাবলু, রংপুর:  রংপুরে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণে শিকার ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রীটি এখন তার আশ্রয়স্থল নানীর বাড়িতেই থাকছেন। আগের মত সে আর বাড়ির বাইরে স্বাভাবিক চলাফেরা করছে না । মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে সে এমনটি জানিয়েছে তার পরিবার। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে যেতে নিষেধ করেছেন শিক্ষক এমন অভিযোগও এনেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

এমন কী সে তার কল্যণী দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়েও পড়ালেখার জন্য যায় না। সোমবার রংপুর মেট্রোপলিটন থানার ফতা গ্রামে ভিকটিমের সাথে কথা বললে এসব তথ্য বেড়িয়ে আসে।

চলমান সমাজের উপর আক্ষেপ করে ভিকটিমের আশ্রয়দাতা ভিক্ষুক নানী অমেছা বেওয়া এ প্রতিবেদক-কে জানান, অভিযুক্ত ৬ আসামির মধ্যে একজন গ্রেফতার হলেও দু’দিনের মাথায় সে জামিনে বেড়িয়ে আসে। বাকি অভিযুক্তরা পলাতক থেকেও নানান ভাবে হুমকি অব্যাহত রেখেছেন।

অমিছা বেওয়া আরও জানান, দলবদ্ধ ধর্ষণে শিকার নাতনী আর স্কুলে যান না। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তার নাতনীকে বিদ্যালয়ে যেতে নিষেধ করেছেন। কেননা তার নাতনী ধর্ষিত।

এ ব্যাপারে জানতে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে, অবাধে চলাচলের পথ প্রসস্থ করতে ভিকটিমের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছেন মাহিগঞ্জ মেট্রোপলিটন থানার পুলিশ কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য,রংপুরের মাহিগঞ্জ মেট্রোপলিটন থানার ১ নং কল্যানী ইউনিয়নের ফতা গ্রামের হামিদুল(১৩), রেজাউল(১৪) ,আমীনুল(২৬),নাইম(১৩), সাহেব আলী (৩২) ও বিপুল (২৭) ১৩ ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই ছয় যুবক মেয়েটির পথরোধ করে মুখে গামছা পেছিয়ে একটি শ্যালোমেশিন ঘরে নিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এঘটনায় মাহিগঞ্জ মেট্রোপলিটন থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ