প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই কি মুখোশ খুলে যায়?

মেহেবুব আলম বর্ণ

দেশের অন্যতম বড় দৈনিক প্রথম আলোও যখন সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা মেনে চলে না তখন খুব খারাপ লাগে। প্রথম আলোর অনলাইনে আজ ‘# মিটু ঝড়ের কবলে অমিতাভ বচ্চন আর সালমান!’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরটির ইন্ট্রোতে লেখা হয়েছে, ‘#মিটু’ ঝড় প্রবলভাবে আছড়ে পড়েছে বলিউডের বুকে।…এ আন্দোলনে এবার মুখোশ খুলে দিয়েছে অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান, ভূষণ কুমার, শতুঘœ সিনহাদের।

মুখোশ খুলে দেয়া মানে কি? কেউ কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই কি মুখোশ খুলে যায়? যৌনতা বিষয়ক প্রতিবেদন পাঠকেরা খুব খান। এটা মিডিয়ার কর্তাব্যক্তিরা জানেন। ফলে প্রথম আলো গত কিছু দিন ধরে বেশ গুরুত্ব দিয়ে বলিউডের খবর প্রকাশ করছে। #মিটু আন্দোলনের প্রতি এমন মনোযোগ ভালো লেগেছে। কিন্তু প্রতিবেদনগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যাতে অভিযোগকারীর বক্তব্য যেন শতভাগ ঠিক। গণমাধ্যমের কাজ কি রায় দিয়ে দেওয়া?

যিনি অভিযোগ করছেন তার বক্তব্য যেমন প্রকাশ করতে হবে, একইভাবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার বক্তব্যও তো গুরুত্ব দেয়া উচিত। কিন্তু আমাদের গণমাধ্যমে এ বিবেচনায় ঘাটতি দেখছি। প্রতিবেদক মনের মাধুরী দিয়ে যেসব ভাষা, শব্দ ব্যবহার করছেন তিনি যেন বাদি পক্ষের আইনজীবী। প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব মন্তব্য কি শোভনীয়? অভিযোগকারী কি এমন কোন প্রমাণ দিয়েছেন যে তিনিই সত্য? পুলিশ বা আদালত কি দোষী বলেছে অভিযুক্তদের? বিষয়টি তো এখনও অতোটা দূরে গড়ায়নি। তাহলে কোন্ যুক্তিতে বলা যায়, মুখোশ খুলে পড়েছে? ফেসবুক থেকে লেখক : সাংবাদিক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত