প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উন্নয়নের তালিকায় বাংলাদেশের সাথের ৯ বন্দর
সাড়ে ৪ হাজার কোটি রুপি ব্যায়ে স্থল সীমান্তে ব্যবসা বৃদ্ধির পরিকল্পনা ভারতের

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ৭ টি দেশের সাথে ভারতের রয়েছে ১৫০০০ কিলোমিটারের স্থল সীমানা। প্রতিবেশীদের সাথে ভারতের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের বড় অংশই হয় সড়কপথে। এই ব্যবসা বৃদ্ধি করতে চায় দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশটি। সেজন্য স্থবন্দরগুলোকে আধুনিকায়ন করছে ভারত। এ উদ্দেশ্যে সাড়ে ৪ হাজার কোটি রুপি ব্যায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। ২০টি বন্দরের উন্নয়ন সাধন করা হবে। যার ৯টিই বাংলাদেশ সীমান্তে।

স্থলপথে ভারতের আমদানি রপ্তানি সবচাইতে বেশি হয় বাংলাদেশের সাথে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করেছে মোট সাড়ে ৬৮ কোটি ডলারের পণ্য। যা বাংলাদেশ থেকে মোট আমদানির ৭৫ শতাংশ। আর সড়কপথে বাংলাদেশে মোট রপ্তানি পণ্যের ঠিক অর্ধেক রপ্তানি করেছে দেশটি। যার অর্থমূল্য ৮৬১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এছাড়ার অন্য প্রতিবেশিদের মধ্যে ভুটানে মোট আমদানির ৫৩ শতাংশ, রপ্তানির ৯৬ শতাংশ। নেপালে আমদানির ৯৯.৮ শতাংশ, রপ্তানির ৯৭ শতাংশ, পাকিস্তানে আমদানির ৪৮ শতাংশ, রপ্তানির ১৪ শতাংশ স্থল বাণিজ্যের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভারত ১৩০০ কোটি ডলারের পণ্য স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি করেছে। যা তাদের মোট আমদানি-রপ্তানির ৩.৭ শতাংশ। ভারতের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৩০ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার।

এ পর্যন্ত ভারত ৭০০ কোটি রুপি ব্যায়ে উন্নয়ন সাধন করে ৫টি স্থলবন্দরকে ইন্ট্রিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) তে পরিণত করেছে। আরো দুটি বন্দর উন্নয়নের কাজ চলছে। এ ৫টি বন্দর হলো; আতারি (ভারত-পাকিস্তান), আগরতলা (ভারত-বাংলাদেশ), পেট্রোপোল (ভারত-বালাদেশ), রাক্সাউল (ভারত-নেপাল), যোগবানি (ভারত-নেপাল)। আর উন্নয়ন চলা বন্দর দুটি হলো; মোরেহ (ভারত-মিয়ানমার) এবং ডাউকি (ভারত-বাংলাদেশ)। ১৩টি বন্দরের উন্নয়নের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতেই ব্যায় হবে সাড়ে ৪ কোটি রুপি। এগুলো হলো’ জয়গার (ভারত-ভুটান), পানিটাঙ্কি (ভারত-নেপাল), হিলি (ভারত-বাংলাদেশ), চেংরাবান্ধা (ভারত-বাংলাদেশ),গোজাডাঙ্গা (ভারত-বাংলাদেশ), মাহাদিপুর (ভারত-বাংলাদেশ), সুতারকান্দি (ভারত-বাংলাদেশ), কারপুচিয়া (ভারত-বাংলাদেশ), বানভাসা (ভারত-নেপাল), ভিটামোর (ভারত-নেপাল), সুনাওলি (ভারত-নেপাল) এবং রুপিয়াদিহা (ভারত-নেপাল)।
প্রতিবেশি দেশগুলোর চীন নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত দ্রুততার সাথে এ বন্দরগুলোর উন্নয়ন ঘটাতে চাচ্ছে। কারণ চীন থেকে আমদানি করা পণ্যে খরচ কম। এ বিষয়ে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী সুরেশ প্রভু বলেছেন, ‘আমরা এখানে চীনের সাথে প্রতিযোগিতা করবো। যেভাবে আফ্রিকায় প্রতিযোগিতা করি। তবে এখনও এ পদ্ধতির সুফল পায়নি ভারত। পেট্রাপোলের উন্নয়নের পর সেখানে ১৫০০ ট্রাক হ্যান্ডেল করা যায়। আর বাংলাদেশের বেনোপোলে যায় ৪ থেকে ৫০০ ট্রাক। এ কারণে উন্নয়ন কাজে আসছে না ভারতের। ইকোনমিকস টাইমস

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ