প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘অতিমানব তৈরির প্রতিযোগিতায় ধ্বংস হয়ে যাবে মানবজাতি’

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ৭ মাস পূর্বে মৃত্যুবরণ করা বিখ্যাত তত্ত্বীয় পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং তার মৃত্যুর পূর্বে ‘অতিমানবদের’ এক জগতের দৃশ্যকল্প কল্পনা করে গেছেন। এটি ছিলো তার জীবনের শেষ বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস। এই জনপ্রিয় বিজ্ঞানীর মতে জিন প্রকৌশল মানব সমাজের মধ্যে এক নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করবে। এতে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে মানবসমাজ।

এ বিষয়ে হকিং এর নিবন্ধ আর রচনার একটি সংকলন মরোনত্তর প্রকাশিত একটি বইতে পাওয়া যাবে। শীঘ্রই প্রকাশিত হবে বইটি। বইটির নাম, ‘ব্রিফ অ্যান্সার অব বিগ কোয়েশ্চেনস’। বইটিতে জানা যাবে সেই ধণকুবেরদের নিয়ে হকিং এর আতঙ্কের কথা। যারা নিজেদের বিপুল সম্পদ ব্যবহার করে নিজেদের সন্তানদের ডিএনএতে পরিবর্তন আনতে চান। এরফলে তৈরি হবে এক অসম প্রতিযোগিতা। যার ফলে মানবসমাজ ধ্বংস হয়ে গেলেও অবাক হবার কিছু থাকবে না।
হকিং লিখেছেন, ‘আমি নিশ্চিত এই শতকের মাঝেই মানুষ জেনে যাবে কিভাবে বুদ্ধিমত্তা এবং সহজাত প্রবৃত্তির উন্নয়ন ঘটানো যায়। খুব সম্ভবত মানুষের ওপর জিন প্রকৌশল চালানোর বিরুদ্ধে আইন পাশ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু কিছু মানুষ মানব চরিত্র উন্নয়নের জন্য নিজেদের লোভ সংবরণ করতে পারবে না। এর মধ্যে রয়েছে স্মৃতিশক্তি, রোগের ব্যাপারে সহনশীলতা এবং আয়ুষ্কাল।’

তবে প্রকাশের পূর্বেই এ তাত্ত্বিক পদার্থবিদের বইটি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ হকিং নিজের লেখায় শুধুই জিন প্রকৌশলের কুফল নিয়ে আলোচনা করেছেন। হকিং শুধুই বলেছেন নেতিবাচক শঙ্কার কথা। তিনি নিজের লেখায় একবারের জন্যও উল্লেখ করেননি জিন প্রকৌশল খুলে দেবে নানান সম্ভাবনার দূয়ার। নিজের লেখায় উদাহরণ হিসেবে হকিং ক্রিসপার নামে একটি জিন প্রকৌশল পদ্ধতির উল্লেখ করেছেন। যার মাধ্যমে গবেষকরা চাইলেই জিনে যেকোন ধরণের উপাদান যোগ করতে পারেন। মাত্র ৬ বছর আগেই আবিষ্কৃত হয়েছে এ বৈপ্লবিক পদ্ধতি। ডেইলি মেইল, সম্পাদনা : শরিফ উদ্দিন আহমেদ