প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিনিয়োগ সীমার হিসাব পরিবর্তন করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক

সাজিয়া আক্তার : অর্থমন্ত্রীর চিঠি দেয়ার চার মাস পরেও ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমার হিসাব পরিবর্তন করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে বর্তমান হিসাবে বাজারের জন্য সুবিধা-অসুবিধা দুটোই রয়েছে এই ব্যবস্থায়। অন্যদিকে এই হিসাব বদলে দিলেই পুঁজিবাজারে গতি আসবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সূত্র : ডিবিসি টেলিভিশন

পুঁজিবাজারে এখন ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ হিসাব করা হয় শেয়ারের বাজার দর দিয়ে। তাই ব্যাংকের কেনা শেয়ারের দাম বাড়লেই কখনো কখনো ছাড়িয়ে যায় নির্ধারিত বিনিয়োগ সীমা। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সাথে সাথে শেয়ার বিক্রি করে সীমার মধ্যে ফিরতে বাধ্য হয় ব্যাংকগুলো।

গেল জুন মাসে ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে বিনিয়োগ হিসাব গণনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠিও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। কিন্তু চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন ডিবিয়ের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ সাদেক বলেন, অর্থমন্ত্রীর কিছু রেকমেন্ডেশন ছিল বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওপর। তিনি কথা দেবার পরও তারা সেটা রেকমেন্ড করেনি। তার মধ্যে ছিলো এক্সপোজার ক্যালকুলেশন। আইসিবিকে সিঙ্গেল বোর এক্সপোজার থেকে বের করে দেয়া। ননলিষ্টেড কম্পানি গুলোকে এক্সপোজার না রাখা।

বিনিয়োগ সীমার এই হিসাবে সুবিধা-অসুবিধা দুটোই রয়েছে। তদারকি সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বলছে, বিএসইসি বাজারের আকার ও ধরন অনুযায়ী সেটি নির্ধারণ করা হয়। বিনিয়োগ সীমার এই হিসাবে মার্ক টু মার্কেট করার সুবিধাও আছে আবার অসুবিধাও আছে।

বিনিয়োগ সীমার হিসাব পরিবর্তন করলেই বাজারে গতি আসবে সেটি মানতে নারাজ পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ড. আবু আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব গতিতে যাবে। তাদের নিজস্ব পলিসি আছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যদি দেখে তাদের ডিপোজিটের ইন্টারেষ্ট ব্যাহত হবে তাহলে তারা সেখান থেকে সরবে না। আর এক্সপোজাল বৃদ্ধি করলে শেয়ার বাজার ভাল হবে এটি আমি মনে করি না। শেয়ার বাজার ভাল হতে হবে ভাল শেয়ারের মাধ্যমে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ