Skip to main content

বি. চৌধুরীর অবস্থানকে আমি শ্রদ্ধা করি: তথ্যমন্ত্রী

বি. চৌধুরীর অবস্থানকে আমি শ্রদ্ধা করি: তথ্যমন্ত্রী
আনিসুর রহমান তপন : ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার কোনও ভিত্তি নেই। এই সাত দফায় কিছু অ-মিশন আছে, কিছু কমিশন আছে। এর মাধ্যমে তারা অস্বাভাবিক সরকার আনতে চায়। এটি কোনও নির্বাচনি জোট নয়, এটি নির্বাচনি ঘোঁট। রোববার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বি. চৌধুরী তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তারা বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের জোটে তারা যাবেন না। আবার আওয়ামী লীগের জোটেও তারা আসবেন না। তাদের এই অবস্থানকে আমি শ্রদ্ধা করি। ড. কামাল হোসেনকে ‘জঙ্গি-দুর্নীতিবাজ’ ও বিএনপির আশ্রয় সংস্থা বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করছি তাদের ৭ দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্যের আড়ালে জঙ্গী-সন্ত্রাসী-দুর্নীতিবাজদের রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার এটা প্রকল্প। একটি অস্বাভাবিক সরকার আনার প্রস্তাব। গণতন্ত্রকে জিম্মি করে সব ধরনের অপরাধীদের মুক্ত করার, পুনর্বাসন করার, রাজনীতি করার এটা ব্যবস্থা। তিনি বলেন, আমি মনে করি বিএনপি হচ্ছে রাজাকার-জঙ্গী জামায়াতের আশ্রয় প্রকল্প বা সংস্থা। আর ড. কামাল হোসেন এই জঙ্গি, সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপির আশ্রয় সংস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখছে। হাসানুল হক ইনু বলেন, বিএনপি ১৯৭৫ এর পর ধারাবাহিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত বিষয় অমীমাংসিত করেছে। বিএনপি মীমাংসিত বিষয় অমীমাংসিত করার মাস্টার। একাত্তরের পর জেনারেল জিয়া যেভাবে মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার-খুনিদের সহাবস্থানের রাজনীতি-অপরাজনীতি অনুসরণ করেছেন এই কামাল হোসেন ও বিএনপির ঐক্যফ্রন্ট ঠিক সেই সহাবস্থানের প্রস্তাব জাতির সামনে হাজির করেছেন। মন্ত্রী আরও বলেন, সুশাসন, গণতন্ত্র, দুর্নীতিমুক্ত সমাজের সঙ্গে এই ঐক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি পরিস্কার বলছি, বাংলাদেশে কোন রাজবন্দি নেই, যারা আছে সব অপরাধী। খালেদা জিয়া একজন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারেক জিয়া খুনি। খুনের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তাদের সাত দফা এসব চিহ্নিত অপরাধীদের গায়ে রাজনৈতিক লেবেল এঁটে পুনর্বাসন করার অপচেষ্টা করছে। সম্পাদনা: তরিকুল ইসলাম সুমন

অন্যান্য সংবাদ