Skip to main content

পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধে হাত ছিলো ড. ইউনূসের: প্রধানমন্ত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌসী:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধে হিলারি ক্লিনটনের নির্দেশে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিলো বিশ্বব্যাংক। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধে হাত ছিলো ইউনূসের। রোববার দুপুর ১২টায় মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতু পরিদর্শনে গিয়ে পদ্মা সেতুর নামফলক উন্মেচন শেষে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কোনো অনুমোদন ছাড়াই ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হিসেবে ছিলেন।  আইনি বাধ্যবাধকতায় গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরে যেতে হয়েছে ড. ইউনূসকে।  যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য থেকে বলা হয়েছে ড. ইউনূসকে রাখার উপর পদ্মা সেতু নিমার্ণ নির্ভর করছে। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ড. ইউনূসের প্ররোচনায় বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পের টাকা বন্ধ করে দেয়।  পদ্মা সেতু প্রকল্প বন্ধ করে দিতে দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়। অনেকের ধারণা ছিলো বিশ্বব্যাংক ছাড়া পদ্মা সেতু হবে না। পদ্মাসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধে ষড়যন্ত্র করায় নোবেল জয়ী ড. ইউনূসের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা গরীবের সুদের টাকায় বড়লোক হয় তাদের আবার কিসের দেশপ্রেম। তাঁদের দেশপ্রেম থাকতে পারে না। দেশপ্রেম থাকলে দেশের উন্নয়ন বিরোধী সিদ্ধান্ত নিতে পারতো না। জনগণের প্রতি ভরসা ছিল বলেই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পেরেছি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেকের ধারণা ছিল বিশ্ব ব্যাংকের তহবিল ছাড়া পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্ভব হবে না। কিন্তু আমার বিশ্বাস ছিল, এদেশের জনগণ আমার পাশে থাকবে। জনগণই আমার শক্তি। জনগণ আমাকে সমর্থন দিয়েছেন বলেই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর ৬০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করি, ‘পদ্মা সেতু চালু হলে আমাদের প্রবৃদ্ধি প্রায় ২ ভাগ বাড়বে। প্রবৃদ্ধি ১০ ভাগ হয়ে যেতে পারে। মানুষের অবস্থার আরও উন্নতি হবে। আর্থিক দুরবস্থা থাকবে না। আমরা গ্রামে গ্রামে মানুষের সাহায্য দিচ্ছি।শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সহায়তা দিচ্ছি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, যাবে। আমরা ডেল্টা প্লান-২১০০ প্রণয়ন করবো।’ এর আগে সকাল ১১টায় তিনি মাওয়ায় পৌঁছান। পদ্মা সেতুর নামফলক উন্মেচন, রেল সংযোগ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং বেশকিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।