প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশকে কলকাতা-হলদিয়া বন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব ভারতের

লিহান লিমা: ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর ব্যবহার করতে বাংলাদেশের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এই রপ্তানির কাজ চলে। বর্তমানে রপ্তানিকৃত পণ্য সড়কপথে চট্টগ্রাম যায় ও সেখান থেকে জাহাজে ওঠে। সব মিলিয়ে ২ সপ্তাহ লেগে যায়।

দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর দিয়ে এই রপ্তানি হলে এক্ষেত্রে সময় লাগবে দুই দিন। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে উপকূলীয় পণ্য পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে। তারা আরো জানায়, ঢাকা এই প্রস্তাব গ্রহণ করলে পানগাঁও নদীবন্দর দিয়ে হলদিয়ায়, হলদিয়া হয়ে কলোম্বো বা সিঙ্গাপুরের জাহাজে পণ্য চলে যাবে। সময় লাগবে ৩-৪ দিন। বাংলাদেশি গার্মেন্ট রপ্তানিকারকরা চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্যজট এড়িয়ে সহজেই ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পৌঁছতে পারবেন।

ইতোমধ্যেই ভারতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হলদিয়া বন্দরকে ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট হিসেবে ব্যবহারে বাংলাদেশের জন্য ডেক ফাঁকা করে দিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই পর্যন্ত কোন মন্তব্য করা হয় নি। এদিকে এক সপ্তাহ আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে প্রস্তাবটির পুনরুক্তি করা হয়েছে।

গত চার বছরে ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯১০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ২০১৭-১৮ অর্থ-বছরে বাণিজ্য বেড়েছে ২৪ শতাংশ। উপকূলীয় বহনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় পণ্য আনা-নেওয়াও বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি অর্থবছরে প্রথম চয় মাসে ৪ হাজার কনটেইনার আসা-যাওয়া করে। ২০১৭-১৮ অর্থ-বছরের তুলনায় এটা ৩ হাজার ৭০০ কনটেইনার বেশি।

দ্য হিন্দু আরো জানায়, বাণিজ্যের বেশিরভাগ সুবিধাই ভারতের দিকে গিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য প্রবেশ করেছে খুবই কম। সক্ষমতার চেয়ে কম হারে ব্যবহার করায় ঢাকার পানগাঁও টার্মিনাল ও কলকাতার মধ্যকার উপকূলীয় পণ্য পরিবহনের মাত্রা বাড়ানো যায়নি। দ্য হিন্দু, হেলেনিক শিপিং

সর্বাধিক পঠিত