Skip to main content

`খেলায় নিজের সেরাটা দিয়ে দেশের মুখ উজ্জল করার চেষ্টা করবো'

খোকন আহম্মেদ হীরা, বরিশাল: ২০০৪ সাল থেকে ক্রিকেটের সাথে সক্ষতা যেনো একটু বেশিই হয়ে গেলো। মাঝপথে সেই সম্পর্কের কিছুটা টানা-পোড়ান দেখা দিলেও ২০০৮ সালে পুরোই ভড় করে বসে। নিয়মিত ভাবে ক্রিকেটের ওপর মনোনিবেশ করে আজ জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন বা হাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার ফজলে মাহমুদ রাব্বি। গত ১১ অক্টোবর ঘোষিত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে স্কোয়াডে তার নাম যোগ করা হয়। অলরাউন্ডার হিসেবে দলে ডাক পাওয়া রাব্বি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার দীর্ঘা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে জন্মগ্রহন করেছেন। তবে বেড়ে উঠেছেন বরিশাল শহরে। পিতা আব্দুল গফফার পেশায় সমবায় কর্মকর্তা ও মা হাসিনা আক্তার গৃহিনী। বাবার চাকরীর সুবাদে শৈশব থেকেই বরিশাল নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকায় বেড়ে ওঠেন রাবিব। আর বৈদ্যপাড়া এলাকা ঘেষে সরকারী ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের মাঠে খেলাধুলার হাতেখরি। সেখান থেকেই এগিয়ে যেতে যেতে বরিশালের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়াম হয়ে আজ জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার। জাতীয় দলে চান্স পাওয়ায় অনেক ভালো লাগছে বলে জানিয়ে ফজলে মাহমুদ রাব্বি বলেন, দেশের জন্য খেলার সুযোগ পাওয়ায় নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে। আমার ফার্স্ট প্ল্যান হচ্ছে খেলায় নিজের সেরাটা দিয়ে দেশের মুখ উজ্জল করার। সংবাদকর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাঝে ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার আরও বলেন, বরিশালেও অনেক খেলোয়ার তৈরী হচ্ছে। তারা ভালো খেলছে। তাদের প্রতি এটুকু আশা থাকবে যে, তারা যেন কখনো হতাশায় না ভোগে। হতাশা অনেক খেলোয়ারকে ভালো পর্যায়ে যেতে দেয়নি। তিনি বলেন, একটা সময় ছিলো খেলা নিয়ে বেশি টেনশন থাকলে আমি ভালো খেলতে পারতাম না। পরে যখন টেনশন বিহীন খেলাধুলা করতাম, আর তখন আমার পারফমেন্স বেশ ভালো ছিল। শুক্রবার দিনভর নতুন রূপের এই তরুণ ক্রিকেটার এলাকার বন্ধু ও স্বজনদের সাথে সাক্ষাতের পর কুশল বিনিময় করে নিজের ও দেশের ক্রিকেটের জন্য দোয়া কামনা করেন। তার বন্ধু ও স্বজনরাসহ গোটা বরিশালবাসী ফজলে মাহমুদ রাব্বির উত্তরাত্তর সাফল্য কামনা করেন। শনিবার ফজলে মাহমুদ রাব্বি বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন।