প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাবনায় ৩৪১টি মন্দিরে শারদীয় দূর্গাপুজা

কাজী বাবলা, পাবনা প্রতিনিধি : পাবনায় শারদীয় দূর্গাপূজার সকল প্রস্তুতি শেষ। মাটির কাজ শেষ, রঙ তুলির আঁচড়ে সেঁজে উঠেছে দেবী দূর্গা। এখন অপেক্ষা দেবীর বোধনের। ১৫ অক্টোবর, সোমবার দেবীর বোধনের মধ্যে দিয়ে শুরু হচ্ছে শারদীয় দূর্গাপূজা।

এবার পাবনা জেলার ৯টি উপজেলায় ৩৪১টি মন্দিরে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৫৫টি, আটঘরিয়ায় ১৫টি, চাটমোহরে ৫২টি, ভাঙ্গুড়ায় ১৯টি, ফরিদপুরে ১৩টি, সাঁথিয়ায় ৪৯টি, বেড়ায় ৫৪টি, সুজানগরে ৫৯টি ও ঈশ^রদীতে ২৫টি মন্দির রয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে এসব মন্দিরের মধ্যে ১৪২টি কে অধিক গুরুত্বপূর্ন, ১০৬টি কে গুরুত্বপূর্ন ও ৯২টি মন্দিরকে সাধারণ ঝুকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশ দূর্গাৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দির গুলো সেজেছে নতুন সাজে। পাশাপাশি পূজা উপলক্ষে হিন্দুধর্মালম্বীদের ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে নানা আয়োজন। বাড়িঘর পারিস্কার থেকে শুরু করে নতুন পোশাক কেনা, অতিথি আপ্যায়নের জন্য নারকেলের নাড়ু ও মুড়ির মোয়াসহ বিভিন্ন মিস্টান্ন তৈরিতে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন নারীরা। সুষ্ঠ ও সুন্দরভারে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা-উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী নিয়েছে নানা প্রস্তুতি।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সুত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এ বছর জেলার ৯টি উপজেলায় ৩৪১টি মন্দিরে দূর্গাপূজা প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৫৫টি, আটঘরিয়ায় ১৫টি, চাটমোহরে ৫২টি, ভাঙ্গুড়ায় ১৯টি, ফরিদপুরে ১৩টি, সাঁথিয়ায় ৪৯টি, বেড়ায় ৫৪টি, সুজানগরে ৫৯টি ও ঈশ^রদীতে ২৫টি মন্দিরে পূজার প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসনের তরফ থেকে এসব মন্দিরের মধ্যে ১৪২টিকে অধিক গুরুত্বপূর্ন, ১০৬টিকে গুরুত্বপূর্ন ও ৯২টি মন্দিরকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাদল কুমার ঘোষ জানান, সুষ্ঠ, সুন্দর ও শৃঙ্খলভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে ইতমধ্যেই কয়েকদফা বৈঠক করা হয়েছে। প্রতিটি মন্দিরে পুরোদমে পূজার প্রস্তুতি চলছে। মন্দিরগুলোতে বরাবরের মত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বলেন,পূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতমধ্যেই পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বৈঠক হয়েছে। এছাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে কিছু সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতিটি মন্দিরে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আশা করছি প্রতিবারের মত এবারও শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা শহরের আব্দুল হামিদ সড়ক, স্কয়ার সড়ক সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে তৈরি করা হচ্ছে বড় বড় তোরণ। শহরের বিপনী বিতানগুলোকে চোখে পাড়েছে হিন্দুধর্মালম্বী নারী-পুরুষের ভীড়। ধুতি পাঞ্জাবীর পাশাপাশি শাড়ি গহনা কিনছেন নারীরা।
শহরের শালগাড়িয়া এলাকার পলি সান্যাল জানান, ইতমধ্যেই বাড়িঘর পরিস্কারের কাজ শেষ হয়েছে।

অতিথি আপ্যায়নে জন্য নারকেলের নাড়–, গুড়দিয়ে মুড়ি-খইয়ের মোয়া ও দুধ চিনির সন্দেশ তৈরি করা হয়েছে। পূজার দিনগুলির জন্য পায়েস ও লুচি তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এছাড়া সিঁদুর খেলার জন্য সিঁদুর, আলতা ও আবির কেনা হয়েছে।

পল্টু ক্লাব পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জয় কুমার সাহা বলেন, আমরা মন্দিরে পূজার প্রস্তুতি নিচ্ছি। বাড়ির নারী সদস্যরা অতিথি আপ্যায়ন সহ অন্যসকল প্রস্তুতিতে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ