প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাক্ষী রেখে যৌন হয়রানি হয় না : সৌমিতা সেন

জুয়েল খান : ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন্স স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক সৌমিতা সেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও কর্মক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। মেয়েরা কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। এই বিষয়টা আমাদের সমাজে নারী জাগরণের অন্তরায়।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বেশ কয়েকজন নারী সমাজের কিছু নামী-দামী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। আর এটি একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে, যা মি-টু আন্দোলন নামে পরিচিতি পেয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজে নারীরা শিক্ষা-দিক্ষায় অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা গ্রহণ করে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে। তারা আর আগের মতো ঘরে বসে নেই। তারা কর্মক্ষেত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দ্বারা যদি নারীরা যৌন হেনস্থার শিকার হয়, তাহলে আমাদের সমাজের নারী জাগরণ বাধাগ্রস্থ হবে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি নারীরা যে তাদের ওপর যৌন হেনস্থার বিষয়ে মুখ খুলেছে এটা কিন্তু একটা ইতিবাচক দিক। কেন না নারীরা তাদের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে মুখ বুজে থাকলে এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হতো না। আমাদেরকে এই আন্দোলনের প্রতি নৈতিকভাবে সমর্থন জানাতে হবে এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি জানান, আইন করে যৌন হয়রানি বন্ধ করা যাবে না। কারণ যারা যৌন হয়রানি করে তারা কিন্তু কোনো প্রকার প্রমাণ রাখে না। আইনের আওতায় আনার জন্য সাক্ষ্য-প্রমাণের প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগীরা প্রমাণপত্র যোগাড় করতে পারে না। অভিযুক্তরা আইনের ফাঁক-ফোকড় দিয়ে পার পেয়ে যায়। আর এজন্য আমাদের সমাজে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। বিবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ