প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মালচিং পদ্ধতিতে লাউ চাষ

ফারজানা স্মৃতি: দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আধুনিক পদ্ধতিতে লাউ চাষ। এ পদ্ধতিতে লাউ চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা। তারা জানান, মাঁচায় তরমুজের চাষ করার পর এক বছরে অন্য কোনো ফসলের চাষ করা যেত না। মালচিং পেপার বা আধুনিক পদ্ধতিতে একই জমিতে দুই ধরনের ফসল চাষ করতে পারছেন কৃষকরা।

মাটির রস সংরক্ষণে মালচিং বিভিন্ন ধরনের দিয়ে যখন গাছপালার গোড়া, সবজি ক্ষেত ও বাগানের জমি বিশেষ পদ্ধতিতে ঢেকে দেয়া হয় তখন তাকে বলে মালচ। আর এ পদ্ধতিটি কে বলে মালচিং।

ফসলের ক্ষেতে আর্দ্রতা সংরক্ষণে মালচিং বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এ প্রযুক্তি ব্যবহারে ফসল ক্ষেতের পানি সূর্যের তাপ ও বাতাসে দ্রুত উড়ে যায় না। ফলে জমিতে রসের ঘাটতি হয় না এবং সেচ লাগে অনেক কম। মালচিং ব্যবহার করলে জমিতে প্রায় ১০ থেকে ২৫ ভাগ আর্দ্রতা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়।

শীতকালে মালচ ব্যবহার করলে মাটিতে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ধরে রাখা সম্ভব হয় এবং গরমকালে মাটি ঠান্ডা থাকে, এমনকি বেশ কিছু পোকামাকড়ের আক্রমণও রোধ করা যায়।

সেই মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ শেষ হওয়ার পর জমিতে জৈব সার দিয়ে মাটি তৈরি করা হয়। এরপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। বীজ বপনের তিন মাস পর থেকেই ফুল আসা শুরু হয়। কৃষকরা জানান, এক বিঘা জমিতে লাউ চাষে খরচ হয় প্রায় দশ হাজার টাকা। পরে বাজারে প্রতিটি লাউ বিক্রি হয় ১৬-২০ টাকায়। এতে লাভবান হচ্ছে কৃষকরা।

কৃষিবিভাগের তথ্য মতে, চুয়াডাঙ্গার সদর আলোকডাঙায় প্রায় ২০০ হেক্টর জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে লাউ চাষ করছেন কৃষকরা।
লাউ চাষে খরচ খুবই সীমিত। সেই তুলনায় লাভ ভালো হয়। কীটনাশকের পরিমাণও খুব কম লাগে।

আধুনিক পদ্ধতিতে লাউয়ের চাষ করে অনেকটা স্বস্তির মুখ দেখছেন আলোকডাঙ্গার কৃষকরা। কৃষি খাতে সমৃদ্ধি অজর্নের লক্ষ্যে কারিগরি সহযোগিতা করছেন জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সূত্র: সময় টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ