প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে এই সরকারকে মোকাবেলা করা হবে : খন্দকার মোশাররফ

শিমুল মাহমুদ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন জাতীয় ঐক্য ছাড়া এই সরকারকে সরানো সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, অতি শিঘ্রই জাতীয় ঐক্যর রূপরেখা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে। সারা বাংলাদেশে আওয়াজ শুরু হয়ে গেছে, শব্দ শুনা যাচ্ছে, পরিবর্তনের শব্দ, আওয়ামীলীগ ফ্যাসিট সরকারকে হঠাতে হবে। ভোটের অধিকার আদায়ে,
এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে হঠিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল আয়োজিত দোয়া ও প্রতিবাদী নাগরিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোশররফ বলেন, জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। অতি শিঘ্রই জাতীয় ঐক্যর রূপরেখা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে। যার মাধ্যমে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আয়নায় নিজেদের চেহেরাটা দেখুন।আপনারা বলছেন বিএনপি সন্ত্রাসী দল। যদি তাই হয় এরকম ঘটনা আরো তো বাংলাদেশে ঘটছে। আর তা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই ঘটেছে।
রমনা বটমূলে হত্যাকাণ্ড, যশোরে উদীচী হতাহতের ঘটনা, বিডিআর হেড কোয়াটাররে পিলখানা হত্যাকাণ্ড যদি আওয়ামী লীগের আমলে হয়ে থাকে তবে আওয়ামী লীগ কি সন্ত্রাসী দল নয়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যদি বলতে পারেন বিএনপির নিবদ্ধন থাকা উচিৎ নয়। তাহলে আমি মনে করি অনেক আগেই আওয়ামী লীগের নিবদ্ধন বাতিল হওয়া উচিত ছিল।

বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের কাছে কেউ ন্যায় বিচার আশা করে না মন্তব্য করে বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, যে দেশে প্রধান বিচারপতি নিজে বিচার পাননি সে দেশে অন্যান্য নাগরিকরা সুবিচার পাবে এটা আশাকরা অত্যন্ত কষ্টকর।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে সাজা দেওয়া হয়েছে, তার সাথে বিএনপি কিংবা তারেক রহমানের সম্পৃক্তা ছিল না। এমন কি কয়েক দফা তদন্তেও তাদের নাম ছিল না।২০০৯ সালে অবসরপ্রাপ্ত আওয়ামীলীগ নেতা পুলিশ কর্মকতাকে দিয়ে রাজনৈতিক মামলা সাজানো হয়েছে।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, জাতীয় নির্বাচন কে সামনে রেখে বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে লাখ লাখ মামলা দেয়ার একটাই উদ্দেশ্য সেটা হলো আবারও বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা। বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করা। এবং বর্তমানে যারা বিনা ভোটে গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে তাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা। মুলত সরকারের অলিখিত বাকশালকে প্রতিষ্ঠা করতেই বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে ভুতুড়ে মামালা দেয়া হচ্ছে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) রুহুল আলম চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ