প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বরাবর আধিপত্য বিএনপির, তৎপরতায় এগিয়ে আওয়ামী লীগ

ডেস্ক রিপোর্ট: নোয়াখালী-এক আসনে বরাবরই বিএনপির আধিপত্য। রাজনৈতিক কারণে নির্বাচন কেন্দ্রিক তৎপরতায় এগিয়ে আওয়ামী লীগ। তবে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে ক্ষমতাসীন দলটির সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এককপ্রার্থী চূড়ান্ত করা। এক্ষেত্রে নিজেদের দুর্গখ্যাত এ সংসদীয় আসনে, হেভিওয়েট ও একক প্রার্থী নিয়ে অনেকটা স্বস্তিতে বিএনপি।

একাদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম হয়ে উঠছে স্থানীয় রাজনীতি। আসনটি দখলে রাখতে চায় ক্ষমতাসীনরা। নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন একাধিক সম্ভাব্যপ্রার্থীও। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ভিত্তি করেই জয় অব্যাহত রাখার আশা আওয়ামী লীগের।

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিবে আমরা তার জন্য কাজ করবো। নেত্রীকে আবার প্রধানমন্ত্রী বানাবো দেশের উন্নয়ন চলমান রাখার জন্য।’

মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। তবে দলটির নেতারা বলছেন, হেভিওয়েট প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত থাকায় আগামী নির্বাচনে জয় নিয়ে নির্ভার তারা।

সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মোতাহের হোসেন মানিক বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ৩০ দিনের জনসংযোগের বিপরীতে বিএনপি একদিন জনসংযোগ করলেই বিপুল ভোটে জিতবে।’

শুধু রাজনৈতিক দল নয়, ভোট ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নিয়ে হিসেব-নিকেশে ব্যস্ত ভোটাররাও।

নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ি উপজেলার নিয়ে গঠিত নোয়াখালী-এক আসন। ১০টি সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পাঁচবারের বিপরীতে আওয়ামী লীগের জয় ৩ বার। একবার জাতীয় পার্টি এবং একবার জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী। ১৯৯১, ৯৬ ও ২০০১ সালে টানা জয়পান বিএনপির জয়নুল আবদীন ফারুক। ২০০৮ সালে প্রার্থী পরিবর্তন করলেও আসনটি বিএনপির দখলেই থাকে। আর সবশেষ নির্বাচনে দলটি অংশ না নেয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পান আওয়ামী লীগের প্রার্থী। চাটখিল ও সোনাইমুড়ি উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নোয়াখালী-এক আসনের ভোটার তিন লাখ ৪৭ হাজার। সূত্র: সময় টিভি

সর্বাধিক পঠিত