প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক বান্ধব

আহম্মদ হোসেন : তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান কতটুকু সহজ হয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মুহূর্তেই যেকোনো সংবাদ বিশ^ব্যাপি আলোড়ন তৈরি করতে পারে। এমনকি একটা ছবি বিশ^ বিবেককে নাড়া দিতে দেখেছি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুক বিশে^র সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক। আর বাংলাদেশে এর ব্যাপকতা বিশাল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফেসবুক এখন তথ্য আদান প্রদানের জনপ্রিয় এবং কার্যকর একটি মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সুরক্ষার জন্য কোনো নিদিষ্ট নিতিমালা বা আইন ছিল না এতো দিন।

যার ফলে হয়েসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, অপপ্রোচার এবং মিথ্যা সংবাদ অবাদে প্রচার হওয়ার কারণে সাধরণ মানুষ যেমন সত্য-মিথ্যা নির্নয় করতে পারছে না। একই সাথে মূলধারার সংবাদমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে হুমকির মুখে পড়েছে, এক ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। গুজব, মিথ্যাচার থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গণমাধ্যমকে সুরক্ষা দিতে অনেকদিন ধরেই গণমাধ্যম কর্মীসহ অনেকেই সরকারের কাছে একটা আইন করার প্রস্তাব করে আসছিলো। তাই সরকার বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করে সময় উপযোগি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গুজব, অপপ্রচার, মিথ্যা সংবাদ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ মূল ধারার গণমাধ্যমকে সুরক্ষা দেবে।

মিথ্যা সংবাদ অবাধ প্রবাহের কারণে মূলধারার গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সাংবাদিকতা নানানভাবে প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তাই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গুজব এবং অপপ্রচার রোধ করে মূলধারার গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য রক্ষাকবজ হিসাবে কাজ করবে। গণমাধ্যমের ভালোর জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। যারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যাচার গুজব ও অপপ্রচার চালাবে, তারাই ডিজিটাল আইনের আওতায় আসবে। সাংবাদিকতা কেনো প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়বে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিক বান্ধব আইন। পরিতিচি : সাংগঠনিক সম্পাদক, আওয়ামী লীগ/মতামত গ্রহণ : লিয়ন মীর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ