প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা চালাতে পারে দুর্বৃত্তরা’

আশিক রহমান : জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের আগে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আঘাত হানতে পারে দুর্বৃত্তরা। এজন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে কোনো রাজনৈতিক দল যদি নাশকতার পরিকল্পনা করে থাকে তাহলে নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মারবে। কারণ মানুষ এ ধরনের কর্মকাণ্ড গ্রহণ করবে না।

তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ও পরে নাশকতামূলক কর্মকা- আমরা দেখেছি। অতীতেও বহুবার দেখেছি। তখন যে নাশকতা হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার ছিল তা কি নিয়েছে বিএনপি? যে ভুল করেছিল দলটি তার মাশুল এখনো দিচ্ছে তারা। আরও কতদিন দিতে হবে কে জানে। তবে হ্যাঁ কিছু অপরাধী চক্র থাকে যারা সুযোগ সন্ধানী, অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুবিধা নেওয়ার অপচেষ্টা চালায়। সেরকম অপচেষ্টা আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হতেও পারে। নিরাপত্তা বাহিনীকে যথেষ্ট সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। তবে কোনোভাবেই যেন সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. মিজানুর রহমান বলেন, গুম বা নিখোঁজের ঘটনা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য স্বস্তির বিষয় নয়। এমন তো নয় নির্বাচন এসেছে বলেই নিখোঁজের ঘটনাগুলো ঘটছে। এসব অনেকদিন ধরেই আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ফলে সরাসরি নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত না-ও থাকতে পারে। তবে এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে কোনো কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, তাদের স্বার্থে কোনোভাবে আঘাত আসতে পারে এমন অনুমান বা ধারণা থেকে নির্মূল করে দেওয়া হয়। যেন কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকে। এ ধরনের ঘটনা ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, কোনো নাগরিক নিরাপদ বোধ করতে পারছেন না, একটা রাষ্ট্রের জন্য তা কাম্য হতে পারে না। কোনো গণতান্ত্রিক সরকারেরও কাম্য হতে পারে না। আমি শাসন দেশ পরিচালনা করছি, কিন্তু আমার নাগরিকেরা সবসময় দুচিন্তায় থাকে সেটা কারও কাম্য হতে পারে না। কোনো একটি দুষ্টু চক্র আছে, যারা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নানা ধরনের অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকে। তাদের বিষয়ে সরকারকে সজাগ থাকতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ