প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অবসর নিতে চেয়েছিলেন রাব্বি, ডাক পেয়েছেন জাতীয় দলে

সমকাল: ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে নতুন ডাক পেয়েছেন ফজলে রাব্বি। ঘরোয়া লিগে ১৪ বছর খেলার অভিজ্ঞতা তার। অথচ তার ৩০ বছর বয়সে দলে ডাক পাওয়ায় অবাক হয়েছেন অনেকে। ফজলে রাব্বিও ডাক পেয়ে একটু বিস্মিত হয়েছেন। তবে আগে থেকেই তিনি জানতেন, দলে ডাক পাক না পাক তাকে নিয়ে বোর্ডে আলাপ হবে।

ঘরোয়া লিগে নিজের ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে অনেক উত্থান পতন দেখেছেন রাব্বি। পতনের দিনে হতাশ হয়েছেন। আর সেই হতাশা থেকে অবসর নেওয়ার চিন্তাও করেছেন বাঁ-হাতি এই অলরাউন্ডার। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তার আর্বিভাব প্রতিশ্রুতিশীল এক তরুণ প্রতিভা হিসেবে। ২০০৪ সালে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক তার। কিন্তু ক্রিকেট দেবতা তার দিকে মুখ তুলে তাকাচ্ছে না ভেবে ২০১৫ সালে নিতে চেয়েছিলেন অবসর। ক্রিকেট কিন্তু তাকে ছাড়েনি।

অবশেষে অপেক্ষার ফল পেলেন। অনেকে তো ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করেও জাতীয় দলে কখনো ডাকই পান না। সে হিসেবে ৩০ বছর বয়সে এসে ডাক পাওয়া খারাপ কি। হয়তো রাব্বির ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ট্রেন এখান থেকেই যাত্রা শুরু করলো। রাব্বি ঠিক ওমনটাই বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আমার বয়স ৩০ বছর হয়ে গেছে। আমি আমার ক্যারিয়ারের অনেক উত্থান-পতন দেখে ফেলেছি। একটা সময় ছিল আমি ক্রিকেট ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ক্রিকেট আমাকে ছাড়েনি।’

ক্রিকেট না ছাড়ায় জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলে মনে করেন রাব্বি, ‘আমি অবশ্যই ভাগ্যবান যে, আমার অপেক্ষা শেষ হয়েছে। অথবা আপনি বলতে পারেন আমার ক্যারিয়ারের নতুন যাত্রাটা শুরু হয়েছে।’ ফজলে রাব্বির অবশ্য জাতীয় দলে সুযোগ মিলেছে সাকিবের অনুপস্থিতিতে। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের পাশাপাশি আয়ার‌ল্যান্ডে ‘এ’ দলের সফরে ভালো করাই তার দলে ডাক পাওয়ার বড় কারণ।

আয়ারল্যান্ডে তিন ম্যাচে ব্যাট করে তিনি ১৩৬ রান করেন। ম্যাচ প্রতি গড়ে রান তোলেন ৪৫.৩৩ করে। এছাড়া বাঁ-হাতি স্পিনে চার উইকেট নেন তিনি। সাকিবের জায়গা পূরণে তার বাঁ-হাতি স্পিন এবং ব্যাটিং কার্যকরী হবে ভেবেই দলে নির্বাচকরা দলে ডেকেছে তাকে।

তবে রাব্বি জানালেন তার পরিচয় মূলত একজন ব্যাটসম্যান, ‘আসলে আমি অলরাউন্ডার না, ব্যাটিংটাই প্রাধান্য দেই আমি। সুযোগ পেলে বোলিংটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। আমি দু’জন সিনিয়র খেলোয়াড় দলে না থাকায় দলে ডাক পেয়েছি। কিন্তু আমাকে এমনভাবে খেলতে হবে যেন তারা ফিরলে আমি বাদ পড়ে না যাই। সামনে আসা প্রত্যেকটা সুযোগ আমাকে কাজে লাগাতে হবে।’

ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে নতুন ডাক পেয়েছেন ফজলে রাব্বি। ঘরোয়া লিগে ১৪ বছর খেলার অভিজ্ঞতা তার। অথচ তার ৩০ বছর বয়সে দলে ডাক পাওয়ায় অবাক হয়েছেন অনেকে। ফজলে রাব্বিও ডাক পেয়ে একটু বিস্মিত হয়েছেন। তবে আগে থেকেই তিনি জানতেন, দলে ডাক পাক না পাক তাকে নিয়ে বোর্ডে আলাপ হবে।

ঘরোয়া লিগে নিজের ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে অনেক উত্থান পতন দেখেছেন রাব্বি। পতনের দিনে হতাশ হয়েছেন। আর সেই হতাশা থেকে অবসর নেওয়ার চিন্তাও করেছেন বাঁ-হাতি এই অলরাউন্ডার। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তার আর্বিভাব প্রতিশ্রুতিশীল এক তরুণ প্রতিভা হিসেবে। ২০০৪ সালে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক তার। কিন্তু ক্রিকেট দেবতা তার দিকে মুখ তুলে তাকাচ্ছে না ভেবে ২০১৫ সালে নিতে চেয়েছিলেন অবসর। ক্রিকেট কিন্তু তাকে ছাড়েনি।

অবশেষে অপেক্ষার ফল পেলেন। অনেকে তো ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করেও জাতীয় দলে কখনো ডাকই পান না। সে হিসেবে ৩০ বছর বয়সে এসে ডাক পাওয়া খারাপ কি। হয়তো রাব্বির ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ট্রেন এখান থেকেই যাত্রা শুরু করলো। রাব্বি ঠিক ওমনটাই বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আমার বয়স ৩০ বছর হয়ে গেছে। আমি আমার ক্যারিয়ারের অনেক উত্থান-পতন দেখে ফেলেছি। একটা সময় ছিল আমি ক্রিকেট ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ক্রিকেট আমাকে ছাড়েনি।’

ক্রিকেট না ছাড়ায় জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলে মনে করেন রাব্বি, ‘আমি অবশ্যই ভাগ্যবান যে, আমার অপেক্ষা শেষ হয়েছে। অথবা আপনি বলতে পারেন আমার ক্যারিয়ারের নতুন যাত্রাটা শুরু হয়েছে।’ ফজলে রাব্বির অবশ্য জাতীয় দলে সুযোগ মিলেছে সাকিবের অনুপস্থিতিতে। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের পাশাপাশি আয়ার‌ল্যান্ডে ‘এ’ দলের সফরে ভালো করাই তার দলে ডাক পাওয়ার বড় কারণ।

আয়ারল্যান্ডে তিন ম্যাচে ব্যাট করে তিনি ১৩৬ রান করেন। ম্যাচ প্রতি গড়ে রান তোলেন ৪৫.৩৩ করে। এছাড়া বাঁ-হাতি স্পিনে চার উইকেট নেন তিনি। সাকিবের জায়গা পূরণে তার বাঁ-হাতি স্পিন এবং ব্যাটিং কার্যকরী হবে ভেবেই দলে নির্বাচকরা দলে ডেকেছে তাকে।

তবে রাব্বি জানালেন তার পরিচয় মূলত একজন ব্যাটসম্যান, ‘আসলে আমি অলরাউন্ডার না, ব্যাটিংটাই প্রাধান্য দেই আমি। সুযোগ পেলে বোলিংটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। আমি দু’জন সিনিয়র খেলোয়াড় দলে না থাকায় দলে ডাক পেয়েছি। কিন্তু আমাকে এমনভাবে খেলতে হবে যেন তারা ফিরলে আমি বাদ পড়ে না যাই। সামনে আসা প্রত্যেকটা সুযোগ আমাকে কাজে লাগাতে হবে।’