প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জাতীয় জাদুঘরে ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী

সমকাল: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন ছিল গত ২৮ সেপ্টেম্বর। এ উপলক্ষে ৭১টি চিত্রকর্ম এঁকেছিলেন শিল্পীরা। রঙ আর রেখায় বহুমাত্রিক অভিব্যক্তিতে শিল্পীদের চিত্রপটে উঠে এসেছেন তিনি। কখনও শৈশব-কৈশোরের চপলতা; কখনও আবার ইস্পাতদৃঢ় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। বিভিন্ন ছবিতে তার সঙ্গী হয়েছেন তার পিতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আর সুই-সুতার আশ্রয়ে সূচিশিল্পেও জামালপুরের মা-বোনেরা ভালোবাসা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। সেসব চিত্রকর্ম আর সূচিশিল্প নিয়ে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে শুরু হয়েছে ব্যতিক্রমী এক প্রদর্শনী। জাদুঘরের নিচতলার নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনালয়ে শোভা পাচ্ছে চিত্রকর্মগুলো। তৃতীয় তলার লবির দেয়ালে ঝুলছে সূচিশিল্পগুলো। প্রধানমন্ত্রীর ৭১তম জন্মদিন স্মরণে কর্মশালার মাধ্যমে ৭১টি চিত্রকর্মের সঙ্গে তার শতায়ু কামনা করে ১০১টি সূচিশিল্পের সম্মিলনে সাজানো প্রদর্শনীটির আয়োজক হাসুমণির পাঠশালা। সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।

গতকাল শুক্রবার প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিত্রশিল্পী অধ্যাপক সমরজিৎ রায় চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন জাদুঘরের সচিব মো. শওকত নবী। সভাপতিত্ব করেন হাসুমণি পাঠশালার সভাপতি মারুফা আক্তার পপি।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যেই সংগ্রাম করেছেন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে। আর বঙ্গবন্ধুর সেই আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনে দিয়েছেন উন্নয়নের ছোঁয়া। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশকে পরিণত করেছেন উন্নয়নশীল দেশে। এখন মধ্যম আয়ের দেশ গড়ার পথে অবিচল নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় বারবার আঘাত এলেও কোনো কিছুই তাকে নিবৃত্ত করতে পারেনি। পিতার মতোই কাজ করে যাচ্ছেন অবিচলভাবে। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে যিনি এতটা নিবেদিত, তার জন্মদিনেই হতে পারে এমন প্রদর্শনী।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, সাধারণত কোনো বড় বৃক্ষের নিচে ছোট গাছ সঠিকভাবে বেড়ে ওঠে না। তবে শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে এটি ব্যতিক্রম। মহামানবের কন্যা হিসেবে তিনিও হয়ে উঠেছেন মহান মানুষ। শত বাধাবিপত্তি পেরিয়ে হিমালয়সম সাহসে ভর করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশকে। লড়াইয়ের মাধ্যমে ক্রমাগত বিকশিত করেছেন নিজেকে। কাঁধে তুলে নিয়েছেন পিতার অসমাপ্ত কাজ সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব।

সপ্তাহব্যাপী প্রদর্শনীটি শেষ হবে আগামী ১৮ অক্টোবর। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এ প্রদর্শনী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ