প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীতে ৬ কেজি স্বর্ণসহ আটক ৩

সুজন কৈরী: রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে ৬ কেজি স্বর্ণসহ আন্তর্জাতিক স্বর্ণ চোরাচালানকারী দলের ৩জন সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১। আটককৃতরা হলেন- মো. মিজানুর রহমান (৩০), মজিদুল ইসলাম (৫০) ও মো. রিয়াজুল ইসলাম (৩৫)।

শুক্রবার বিকেলে ফকিরাপুলের ইসলাম নামক একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়।

র‌্যাব-১ জানায়, আটককৃতদের কাছ থেকে চোরাচালানের ৬ কেজি ওজনের ৬০টি স্বর্ণের বার ও ৫টি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়েছে। আটক মিজানুর রহমান বেনাপোল পোর্ট এলাকায় মোবাইল ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করেন। তিনি বৃহস্পতিবার স্বর্ণের চালান সংগ্রহের জন্য ঢাকায় আসেন এবং ওই হোটেলে ওঠেন। তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঢাকার স্বর্ণ চোরাকারবারির সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বর্ণের চালান সংগ্রহ করতেন এবং পরে তা বেনাপোলে স্বর্ণ চোরাকারবারির কাছে পৌছে দিতেন। ৫ থেকে ৬ মাস ধরে তিনি স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িত। প্রতি মাসে ২/৩টি স্বর্ণের চালান রাজধানী থেকে সংগ্রহ করে বেনাপোলের স্বর্ণ চোরাকারবারির কাছে পৌছে দিতেন। এজন্য তাকে বেনাপোলের স্বর্ণ চোরাকারবারি চালান প্রতি ৭ হাজার টাকা করে দিত।

আটক অপর ব্যক্তি মজিদুল ইসলাম বেনাপোল পোর্ট এলাকায় মালামাল খালাসের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। গত ৫/৬ মাস ধরে এ কাজে জড়িত এবং প্রতি মাসে ৩/৪টি স্বর্ণের চালান রাজধানী থেকে সংগ্রহ করে বেনাপোলের স্বর্ণ চোরাচালানকারীদের কাছে পৌছে দিতেন। এজন্য চালান প্রতি তিনি ৭ হাজার টাকা করে পেতেন। তিনি রাজধানীর ফকিরাপুলের হোটেল রওশনে গত ২দিন ধরে অবস্থান করে। এ সময় তার সঙ্গে অন্য স্বর্ণ চোরাচালানকারী সদস্য মো. রিয়াজুল ছিলেন। মজিদুল স্বর্ণের বারগুলো বিশেষ কায়দায় জুতোর ভিতর লুকায়িত অবস্থায় রেখে ছিলেন।

এছাড়া আটক রিয়াজুল বেনাপোল পোর্ট এলাকায় মালামাল খালাসের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার ঢাকায় এসে ফকিরাপুল ইসলাম হোটেলে ওঠেন। তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রাজধানীর স্বর্ণ চোরাচালানকারী জনৈক এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বর্ণের চালান সংগ্রহ করতেন। পরে তা বেনাপোলের স্বর্ণ চোরাচালানকারী নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট পৌছে দিতেন। তিনি চালাননি প্রতি ৭ হাজার করে টাকা পেতেন। তিনি ৬/৭ মাস ধরে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। প্রতি মাসে ৩/৪টি স্বর্ণের চালান রাজধানী থেকে সংগ্রহ করে বেনাপোলে পৌছে দিতেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত