প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রিহ্যাবের সদস্য কমছে, গুজব, ব্যবসায় বড় ধরনের ধ্বস

সুজিৎ নন্দী: নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ, প্লট ও ফ্ল্যাট ক্রেতা-বিক্রেতার আয়ের উৎস জানতে চাওয়া নিয়ে গুজবের কারণে থমকে দাঁড়িয়েছে আবাসন ব্যবসা। শতাধিক ব্যবসায়ি ব্যবসা ত্যাগ করেছে। পাঁচ শতাধিক চলমান প্রকল্প বন্ধ হয়েছে। ব্যবসায়িরা জানান, হাউজিং ব্যবসা আর নেই। প্রায় দুই শত প্রতিষ্ঠানের মালিকরা আবাসন ব্যবসা ত্যাগ করেছে। এই শিল্পে জড়িত ২৫ লাখ মানুষ ধীরে ধীরে কর্মহীন হয়ে পড়ছে। ব্যবসায়ি, বিনিয়োগকারী, রিহ্যাব কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এতথ্য পাওয়া গেছে।

রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং এসোসিয়েশন বাংলাদেশের (রিহ্যাব) অফিস সূত্র জানায়, ইতোপূর্বে রিহ্যাবের সদস্য সংখ্যা ছিলো ১২শ’। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১ হাজার ৪০টি। আরো শতাধিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অপেক্ষায় আছে। এ ব্যাপারে রিহ্যাব সভাপতি ও শামসুল আলামিন রিয়ের এস্টেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, এই শিল্পের কাউকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া হয়রানি করা হলে অবশ্যই গৃহায়ণ শিল্পে তার প্রভাব পড়বে। লিংকেজ খাত হিসেবে ইট, সিমেন্ট, এলুমিনিয়াম, বৈদুত্যিক সামগ্রী, সিরামিক, টাইলস্, কাঠসহ অনেক খাত গড়ে উঠেছে। তিনি আরো বলেন, আমরা প্রবাসীদের আকৃষ্ট করে অতীতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসতে পারছি। ভবিষ্যতে সরকার যদি পদক্ষেপ নেয় তাহলে অতীতের চেয়েও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জণ করতে সক্ষম হবো।

ব্যবসায়িরা জানান, ঢালাও দুর্নীতির কথা না এনে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত করা উচিত। যাতে এ খাতের উপর কোনো প্রভাব না পড়ে। কারণ এক সময় এ খাত থেকে জিডিপি‘র ২০ ভাগেরও বেশি জোগান আসতো। গুজবের কারণে রিহ্যাবের সহসভাপতি নূরুন নবী চেীধুরী শাওন এমপি বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফ্ল্যাটগুলো বিক্রি করতে না পারায় ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের বোঝা সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ না পেলে যে কোনো মহুর্তে ধ্বংস নামবে এটাই স্বাভাবিক।

গুজবের কারণে রিহ্যাবের সহসভাপতি নূরুন নবী চেীধুরী শাওন এমপি বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফ্ল্যাটগুলো বিক্রি করতে না পারায় ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের বোঝা সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ না পেলে যে কোনো মহুর্তে ধ্বংস নামবে এটাই স্বাভাবিক।

রিহ্যাব সূত্র থেকে জানা যায়, অতীতে রিহ্যাব ফেয়ার দুই হাজার কোটি টাকার প্লট এবং ফ্ল্যাট বিক্রি হয়। কিন্তু সম্প্রতি মেলায় বুকিং হয়েছিলো মাত্র ৪০ কোটি টাকা। চলতি বছরে শেষ দুই মাসে মাত্র ১৪ টি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি অনেক ক্রেতা গ্রাহকই কিস্তির টাকা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত