প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাত দিনের চেষ্টায় মাদক চক্রকে আটক করলো ডিএনসি!

সুজন কৈরী : রাজধানীর শান্তিনগর, গোড়ান ও মুগদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৭জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)। তারা হলেন- আবুল কালাম, মো. রাকিবুল ইসলাম ওরফে রকি, মো. বাবু, মো. শাহিন, মো. আলমগীর, মো. মিন্টু ও মো. দেলোয়ার। তাদের মধ্যে আবুল কালাম মাদকের ‘ডিলার’ বা ‘গড ফাদার’ বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

ডিএনসির ঢাকা মেট্রো উপ অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (উত্তর) মোহাম্মদ খোরশিদ আলমের নেতৃত্বে ডিএনসির গুলশান সার্কেলের পরিদর্শক সামসুল কবির এ অভিযান চালান।

ডিএনসি জানায়, তথ্য পাওয়ার পর গত এক সপ্তাহ ধরে আবুল কালামকে আটকের জন্য ডিএনসির অভিযান চলছিল। এই সময় ধরে কালামের সহযোগীদের নজরদারি করা হচ্ছিল। অভিযানকালে আবুল কালামের বিষয়ে কোনো তথ্য না পাওয়ায় ভিন্ন কৌশল গ্রহণ করে ডিএনসি। এরই প্রেক্ষিতে শান্তিনগর ও আবুল হোটেল এলাকা থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যে সিপাহীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলমগীরকে ৫০০পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। তারা সবাই খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতা ও সেবনকারী। কিন্তু তারা আবুল কালামের নাম বললেও বাসা চেনেন না বলে জানান। এরপর কৌশল অবলম্বন করে উত্তর মুগদার ওয়াসা রোডে অভিযান চালিয়ে আবুল কালামকে প্রায় দেড় হাজার পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। এরপর তার বাসায় অভিয়ান চালিয়ে আরো ১১হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

ডিএনসির গুলশান সার্কেলের পরিদর্শক মো. সামসুল কবির বলেন, এক সপ্তাহ ধরে অভিযান চালানোর পরও আবুল কালামকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে কৌশল গ্রহণ করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথমে তার সহযোগীদের আটক করা হয়। এখানেও কৌশল অবলম্বন করে ক্রেতা সেজে আবুল কালামকে ফোন দেয়া হয়। পরে তিনি একটি মোটরসাইকেল নিয়ে আসলে তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাথা ঘুরে পরে যাওয়ার অভিনয় করেন এবং তার বাসার বিষয়েও কোনো তথ্য দেননি। এরপর তার কাছে থেকে মোবাইল নিয়ে তার স্ত্রীর নম্বরে ফোন দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার কথা বলা হয়। পরে তার স্ত্রী বাসার কেয়ারটেকারকে নিয়ে আসলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বাসার ঠিকানা পাওয়া যায়। পরে বাসায় অভিয়ান চালিয়ে ১১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ,মাদক আইনে মামলা পল্টন ও মুগদা থানায় মামলা হয়েছে।

সহকারী পরিচালক (উত্তর) মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, একে একে ছয়জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের ফেস করিয়ে সপ্তমবারের সময় আবুল কালামকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। খোরশিদ আলম বলেন, আবুল কালাম মাদকের ডিলার। দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহের পর ঢাকায় এনে তার সহযোগীদের দিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করাতেন। তার নাম এখনো তালিকাভুক্ত হয়নি। তবে নতুন তালিকায় তার নাম যোগ হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত