প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বৈরি আবহাওয়ায় মাছের দর চড়া

ফয়সাল মেহেদী: বর্তমানে ইলিশ মাছ ধরা ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই চাপ বাড়ছে অন্য মাছের ওপর। তবে চলমান বৈরি আবহাওয়ার কারণে সরবরাহ কম থাকায় বেশ চড়া দরে বিক্র হচ্ছে মাছ।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, খিলগাঁও, মালিবাগ ও শান্তিবাগ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৈরি আবহাওয়ার কারণে নদীতে মাছ ধরতে নামতে পারেননি জেলেরা। সাগরেও মাছ মিলছে না। তাই বাজারে মাছের সরবরাহ কম। বাজারে যে মাছ মিলছে তার মধ্যে চাষের মাছই বেশি। এর মধ্যে রয়েছে রুই, কাতলা, চিংড়ি, শিং, মাগুরসহ বিভিন্ন মাছ। চাষ বা নদীর যাই হোক উভয় মাছেরই চড়া দর হাঁকছেন বিক্রেতারা।

বিক্রেতারা বলছেন, আবহাওয়া খারাপ থাকায় চাহিদার তুলনায় মাছের চালান কম এসেছে। পাইকারি বাজারে দর বেশি হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। কেনা দর বেশি হওয়ায় বিক্রিও হচ্ছে বেশিতে। আবহাওয়া ভালো হলে দর কমবে বলেও জানান বিক্রেতারা।

বাজার ঘুরে গেছে, নদীর যেকোনো মাছই কেজিপ্রতি ৬০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি শিং-মাগুরের কেজি হাজার টাকার ওপরে, নদীর চিংড়ি কেজিপ্রতি ৭০০ থেকে ৯০০ টাকায় এবং চাষের চিংড়ি কেজিপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বড় আকারের প্রতি কেজি চাষের রুই-কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, ছোট রুই-কাতলার কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়, শিং-মাগুর আকারভেদে কেজিপ্রতি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাষের কই, পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দর বেড়েছে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা। এসব মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৩০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে।

কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা সজল বলেন, আবহাওয়া খারাপ হলে মাছের দর বাড়ে। আবার ভালো হলে কমে। বাজারে এখন ইলিশ মাছ নেই। তাই অন্য মাছের চাহিদা বেশি। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সরবরাহ কম হওয়ায় দর কিছুটা বেড়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ