প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিশ্বব্যাংকের মানবসম্পদসূচকে শীর্ষে এশিয়ার দেশগুলো

লিহান লিমা: বিশ্বব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত ‘মানব সম্পদ সূচক’ এ শীর্ষে অবস্থান করছে এশিয়ার দেশগুলো। বিশ্বজুড়ে তরুণদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নৈতিকতা বিশ্লেষণ করে এই সূচক প্রকাশ করে সংস্থাটি। সূচকে ৫ বছরের নিচের শিশুদের মৃত্যুহার, শিশুস্বাস্থ্য ও শিক্ষার গুণগত মানের ওপর জোর দেয়া হয়।

বিশ্বব্যাংকের এই সূচকে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবার মান, জীবনযাত্রা, শিক্ষা ব্যবস্থা ও গড় আয়ু, সবকিছু মিলিয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, হংকং ও ফিনল্যান্ড। ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে যথাক্রমে রয়েছে আয়ারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। সূচকে সবচেয়ে নি¤েœ অবস্থান করছে চাঁদ, দক্ষিণ সুদান, নাইজার, মালি, লাইবেরিয়া ও নাইজেরিয়া।

সেইসঙ্গে বিশ্বব্যাংক সূচকের নি¤েœ অবস্থান করা দেশগুলোকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থা জোরদার এবং জনগণকে ভবিষ্যদের জনসম্পদে পরিণত করতে কর্মখাত নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়। সূচকে সব সবচেয়ে নিচে অবস্থান করা ২০’র মধ্যে বেশিরভাগই আফ্রিকার দেশগুলো। ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি উন্নয়ন সংস্থা জানায়, আফ্রিকার দেশগুলো লাখো শিশুর পুষ্টিচাহিদা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, ‘মানবসম্পদই দরিদ্র জনগণের একমাত্র সম্পদ। এটি স্থিতিশীল উন্নতি, ব্যাপক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের অন্যতম চাবিকাঠি। তবে একমাত্র স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বিনিয়োগ করেই এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব। এই সূচকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সঙ্গে উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নতির সরাসরি যোগসূত্র দেখানো হয়েছে। আমি আশাবাদী দেশগুলো তাদের জনগণের পেছনে অধিক বিনিয়োগ করবে এবং এই ইস্যুতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

বালিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বার্ষিক সম্মেলনে প্রকাশ করা এই প্রতিবেদনে উঠে আসে, গত ৪০ বছরে শিশুশিক্ষার উন্নতি ও মৃতুহ্রারের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে তারা আরো জানায়, দেশগুলোকে এখন লাখো তরুণ জনগোষ্ঠিতে বেকারত্বের কবলে পড়া ঠেকাতে হবে ও আধুনিক কর্মখাতের জন্য তাদের তৈরি করতে হবে।

জিম ইয়ং কিম বলেন, সূচকে সর্বনিন্ম দশে অবস্থান করা তেল-সমৃদ্ধ দেশ নাইজেরিয়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবহেলা করে আসছে। তিনি আরো বলেন, আফ্রিকার দেশগুলো শিক্ষাখাতে জিডিপির ৪ ভাগেরও কম বরাদ্দ দেয় ও এই খাতে তহবিলের বেশিরভাগই আছে বিশ্বব্যাংকসহ দাতাদের কাছ থেকে। তাদের অবশ্যই এখন থেকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে জোর দিতে হবে। এদিকে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো সম্প্রতি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়ালেও আশাতীত উন্নতি করতে পারনি কারণ বিষয়টি শুধুমাত্র আর্থিক নয়, এটি হল আপনি এই খাতে কতটা ব্যয় করছেন। গার্ডিয়ান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ