প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্বিবেচনা করতে বলল যুক্তরাষ্ট্র

লিহান লিমা: বাংলাদেশের নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি বাংলাদেশ সরকারকে মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতার সুরক্ষার আহ্বান জানায়।

সোমবার প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ এই আইনে স্বাক্ষর করেন। এতে পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেপ্তার, আক্রমণাত্মক কোন তথ্য প্রচারের জন্য ৩ বছরের কারাদ- ও স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে কোন প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অপরাধে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার , নাগরিক অধিকার ও রাজনৈতিক অধিকারের ওপর শ্রদ্ধা রেখে, বাংলাদেশকে এই আইন পুনর্বিবেচনা করতে উৎসাহ দিচ্ছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল সুরক্ষাকে প্রাধান্য দেই। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমরাও এই উদ্বেগ ব্যক্ত করছি যে, বাংলাদেশের এই আইন বাক-স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করবে।’ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নির্বিচারে আটক, বিধিনিষেধ ও বাক-স্বাধীনতার ধারাগুলো পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে বলে, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাক-স্বাধীনতা, অনলাইনে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, যা গণতান্ত্রিক সরকারের চাবিকাঠি।’

এদিকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক নির্বাহি ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, ‘নতুন এই আইন হয়রানি করার একটি অস্ত্র ও বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক বাক-স্বাধীনতা আইনের পরিস্কার লঙ্ঘন। সম্প্রতি এক যৌথ বিবৃতিতে ইউরোপিয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল এই আইনকে বাক-স্বাধীনতার ওপর কড়াকড়ি আরোপ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করবে। তারা বাংলাদেশ সরকারকে এই আইন পুনর্বিবেচনা বাংলাদেশের সংবিধান এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বাক্ষরিত ‘ইউনিভার্সাল ডিকলারেশন অব হিউম্যান রাইটস’ এর নীতিমালাগুলো নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত