প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্টিফেন হকিংয়ের চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র প্রকাশ

লিহান লিমা: মহাকাশবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মৃত্যুর পূর্বে গবেষণা করা চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। তত্ত্বীয় পদার্থবিদ ও মহাকাশবিজ্ঞানী হকিংয়ের ‘ব্ল্যাক হোল এনট্রপি এন্ড সফট হেয়ার’ নামক এই গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন তার সহযোগিরা।

মৃত্যুর কিছুদিন আগে মার্চে ক্যামব্রিজ ও হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীদের সঙ্গে এই গবেষণা সমাপ্ত করেন হকিং। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপক ও এই গবেষণার সহ-লেখক ম্যালকম পেরি বলেন, ‘দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ ইনফরমেশনাল প্যারাডক্স নিয়ে গবেষণা করেছিলেন হকিং। তবে হকিংয়ের এই ধারণা যাচাই করার মত প্রযুক্তি আমাদের হাতে আসে নি।

নিজের দীর্ঘ কর্মজীবনে ‘ইনফরমেশন প্যারাডক্স’ এবং ‘বস্তু যখন কৃষ্ণগহ্বরে পড়ে যায় তখন তথ্যের তথ্যের কি হয়’ এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন হকিং।  প্রকাশিত গবেষণাপত্রে আইনস্টাইনের তত্ত্বের কৃষ্ণগহ্বরের সমস্যার প্রকৃতি ব্যাখ্যা করা হয়।

আইনস্টাইনের তত্ত্বে কৃষ্ণগহ্বরের ৩টি ফিচারের কথা বলা হয় ম্যাস (ভর), চার্জ (শক্তি), স্পিন (আণবিক কণাদের ঘুর্ণন-ভরবেগ)। কিন্তু হকিং দেখান, এর মধ্যে ‘তাপ’ ও রয়েছে এবং যা তাপগতিবিদ্যার সূত্রকে অগ্রাহ্য করে। এদিকে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সূত্র বলে তথ্য কখনো হারায় না। প্রফেসর পেরি বলেন, ‘জটিলতা হল আপনি যদি কোন কিছু কৃষ্ণগহ্বরে নিক্ষেপ করেন আপাতদৃষ্টিতে দেখা যাবে এটি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে। প্রশ্ন হল কৃষ্ণগহ্বর এটিকে অদৃশ্য করে দেয়ার পর বস্তুর কতটা তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব ?’

গবেষণাপত্রে দেখানো হয়, কিছু তথ্য শেষ পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে। তবে বিজ্ঞানীরা এখন এটি বের করার চেষ্টা করছেন, কিভাবে কৃষ্ণগহ্বরের চক্রবলয়ে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ইভনিং স্ট্যান্ডার্ড, ডেইলি মেইল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ