প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তিতলির প্রভাবে জাতীয় লিগের চারটি ম্যাচই ড্র

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিম্নচাপের ফলে ঘূর্ণিঝড় তিতলির প্রভাব পড়েছে জাতীয় ক্রিকেট লিগেও (এনসিএল)। যার ফলে দ্বিতীয় রাউন্ডের চারটি ম্যাচই শেষ হয়েছে নিষ্প্রাণ ড্র দিয়ে। রাজশাহীতে টায়ার ওয়ানে রাজশাহী-রংপুরের ম্যাচ, ফতুল্লায় টায়ার টুতে ঢাকা ডিভিশন-ঢাকা মেট্রোর ম্যাচ, খুলনায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে টায়ার ওয়ানে বরিশালের ম্যাচ এবং আর কক্সবাজারে টায়ার টুতে চট্টগ্রাম-সিলেটের ম্যাচ ড্র ঘোষণা করা হয়েছে।

এনসিএলের সবগুলো ম্যাচ ড্র হলেও আলাদাভাবে নজর কেড়েছেন লিটন দাস, সাদমান ইসলাম, মিজানুর রহমান, জুনায়েদ সিদ্দিকী, শান্তসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। লিটন নিজের গড়া রেকর্ডই ভেঙ্গে গড়েছেন দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড। ১৪০ বলে ২০০ রান করেছেন, যা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নবম দ্রুততম ডাবল।

রাজশাহীতে রংপুর দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাচ বাঁচানোর জন্যই নেমেছিল। প্রথম ইনিংসে রংপুরের ১৫১ রানের জবাবে রাজশাহী ৫৮৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ফলে ইনিংস হারের শঙ্কা জাগে রংপুরের। কিন্তু সেটা আর হতে দেননি লিটন দাস। রাজশাহীর ইনিংসে সেঞ্চুরি তুলেছেন মিজানুর, নাজমুল হোসেন শান্ত ও জুনাইদ সিদ্দিকী। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৩১৯ রান তোলে। ৭২ রানে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদুল হাসান। চতুর্থ দিন কোনো বল মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা না থাকায় ড্র মেনে নেন দুই দলের অধিনায়ক।

অন্যদিকে, ফতুল্লায় ঢাকা ডিভিশনের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোর ম্যাচে ১৮৯ রানে আউট হন সাদমান ইসলাম। ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও পাওয়া হয়নি। তার ব্যাটে ভর করেই ৩৮৭ রান করে অলআউট হয় ঢাকা মেট্রো। ঢাকা বিভাগের হয়ে ৪ উইকেট নেন সালাউদ্দিন শাকিল। দ্বিতীয় ইনিংসে ঢাকা বিভাগের রান তখন ৫০ রানে ২ উইকেট, এরপর বৃষ্টিতে আর খেলা শুরু হয়নি। শেষ দিন মাঠে কোনো বল গড়ানোর সম্ভাবনা ছিল না। প্রথম ইনিংসে ঢাকা বিভাগ অলআউট হওয়ার আগে করেছিল ২০৬ রান।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে বরিশালের ২৯৯ রানের পর খুলনা ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় দিন শেষে ৭ উইকেটে ৩৪৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। ঐ ইনিংসে সেঞ্চুরি পান খুলনার জিয়াউর রহমান সেঞ্চুরি পেয়েছেন, ১১২ রান করে আউট হয়েছেন মোসাদ্দেকের বলে। অন্য প্রান্তে ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন আফিফ হোসেন। শেষ দিন কোনো বল মাঠে গড়ায়নি।

অন্যদিকে কক্সবাজারে চট্টগ্রাম ও সিলেটের ম্যাচটা মাঠে গড়িয়েছে মাত্র একদিন। বৃষ্টি বাঁধায় পড়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। ব্যতিক্রম হয়নি শেষ দিনের বেলাতেও। চতুর্থদিনেও বল মাঠে গড়ায়নি। তার আগে প্রথম দিন চট্টগ্রাম ৮৭ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ২৮২ রান। দলের হয়ে ১০৬ রান করেন ওপেনার সাদিকুর রহমান। অধিনায়ক মুমিনুল হক ৪৩, ইয়াসির আলি ৮৪ রান করেন।

আগামী ১৫ অক্টোবর সোমবার এনসিএলের তৃতীয় রাউন্ডের খেলা মাঠে গড়াবে। এই রাউন্ডে টায়ার ওয়ানে বরিশালের বিরুদ্ধে খেলবে রাজশাহী এবং একই টায়ারে খুলনা খেলবে রংপুরের বিরুদ্ধে। তাছাড়া টায়ার টুতে সিলেট ডিভিমশনের মোকাবেলা করবে ঢাকা ডিভিশন এবং ঢাকা মেট্রোর বিরুদ্ধে খেলবে চট্টগ্রাম ডিভিশন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ