প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এ আইনটি সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তির আপোসের ফল

নিলুফার চৌধুরী মনি : “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন” এটি তো পাশ হয়ে গেছে। বিল পাশ হওয়ার পরে তো আর কোন কথা থাকে না।

সংসদে দু’টি বিল পাশ হয়েছে। একটি হলো, বাসের নিচে পিষ্ঠ হয়ে কেউ মারা গেলে চালকের শাস্তি হলো, ৫ বছর কারাদন্ড। আর সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে, তার শাস্তি হলো, যাবজ্জীবন। ভাওতাবাজির তো একটা সীমা থাকা দরকার। সাংবাদিকরা যে আপোষ করেছে এটিই হচ্ছে তার ফলাফল। বুদ্ধিজীবিরা যে এত আপোষ করেছে এটিই হচ্ছে তার ফলাফল। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা টাকা খেয়ে যে আপোষ করেছে নিজেদের স্বার্থের জন্য এটিই হচ্ছে তার ফলাফল। একটি সরকার যখন চরম স্বৈরাচার হয় তখন এধরণের বিল পাশ করে নিজেদের স্বার্থের জন্য। সরকার হয় তো ভুলে যায়, গ্রাম্য একটি প্রবাদ আছে, জয় কালে ক্ষয় নাই, মরণ কালে ওষুধ নাই। কোন সরকারের চেয়ারটাই চিরস্থায়ী নয়। এমনও হতে পারে, সরকার যে দু নাম্বারি করে আইনটি পাশ করলো, এটি হয়তো তারই উপর অন্য কেউ প্রয়োগ করবে।

এই ৫৭ ধারাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসরকে তাকে ধরে নি¤œ আদালতে চালান করে দেয়া হয় ।

এই ৫৭ ধারা যে কত বড় ক্ষতিকর জাতির জন্য, গণতন্ত্রের জন্য এটি কল্পনাতীত। তবে আমার মনে হয় এই ব্যপারটি নিয়ে সাংবাদিকদের, বুদ্ধিজীবিদের, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এবং আপামর জনসাধারণের আন্দোলন করা উচিত। নইলে কিন্তু সবাই এই আইনের মধ্যে পড়ে যাবে। যখন যাকে খুশি তার উপরই এই ধারাটি আরোপ করবে সরকার।

পরিচিতি: সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি/ মতামত গ্রহণ: ফাহিম আহমাদ বিজয়/ সম্পাদনা: মো.এনামুল হক এনা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত