প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

চট্টগ্রাম ও মোংলা কতটা প্রস্তুত

ডেস্ক রিপোর্ট : চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে পণ্য নিতে চায় ভারত। সে দেশের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্য নিতে একটি চুক্তির খসড়ায় সম্প্রতি অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ১৭ সেপ্টেম্বর অনুমোদন পাওয়া এ চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রধান দুটি বন্দর ব্যবহার করে পণ্য নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে নেপাল ও ভুটানের জন্যও। অনেক দিন ধরে বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে থাকলেও এ অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ পেতে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশের পণ্য পরিবহনের বিষয়টি। সুযোগটি কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে একমত অনেকেই। কিন্তু এ মুহূর্তে দেশের প্রধান দুই সমুদ্রবন্দর এ চাপ সামলাতে প্রস্তুত কি-না, তা নিয়ে আছে দ্বিধাবিভক্ত মত।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের এ মুহূর্তের সক্ষমতা, নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি কীভাবে মোকাবেলা করা হবে, শুল্ক্কহার কী হবে, পার্শ্ববর্তী দেশের কী পরিমাণ পণ্য হ্যান্ডল করতে হবে এবং এ জন্য স্থল ও নৌপথে অবকাঠামোগত সুবিধা প্রস্তুত আছে কি-না এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে বলছেন বন্দর বিশেষজ্ঞরা। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া ঝুঁকি নিলে সেটি দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হবে বলেও মনে করছেন তারা।

দেশে নৌ-বাণিজ্যের পরিমাণ ক্রমে বাড়ছে। সর্বশেষ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে ২০ ফুট দীর্ঘ (টিইইউএস) কনটেইনার ওঠানামা হয়েছে প্রায় ২৭ লাখ। ১০ বছর আগে এটি ছিল মাত্র ১৭ লাখ। একইভাবে কার্গো পণ্যের পরিমাণ আগে ৪ দশমিক ১ টন থাকলেও এখন সেটি ৮ দশমিক ৫ টনে উন্নীত হয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরেও চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে ১২ শতাংশ ও কার্গো পণ্যে ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। প্রতিবছর এ হারে আমদানি-রফতানি পণ্য বাড়লে ২০১৮ সালের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দর তার সক্ষমতা অতিক্রম করবে বলে মতামত দিয়েছে জার্মানির হার্মবুগ পোর্ট কনসালট্যান্সি (এইচপিসি) ফার্ম। বন্দরের জন্য এ ফার্মের তৈরি করা ৩০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যানে উল্লেখ আছে- জরুরি ভিত্তিতে নতুন টার্মিনাল ও পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি আনা না হলে ভবিষ্যতে নিজেদের চাহিদাই পূরণ করতে পারবে না চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। জাহাজের গড় অবস্থান সময়ও নেই কাঙ্ক্ষিত মানে। সর্বশেষ অর্থবছরেও চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি কার্গো জাহাজকে গড়ে সাত দিন ও কনটেইনার জাহাজকে পণ্য খালাস করতে অপেক্ষা করতে হয়েছে গড়ে প্রায় আড়াই দিন। কনটেইনার রাখার ধারণক্ষমতাও চাহিদার তুলনায় অনেক কম।

পণ্যবোঝাই কনটেইনারে তেজস্ট্ক্রিয় পদার্থ আছে কি-না, সেটি শনাক্ত করতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে নেই পর্যাপ্ত স্ক্যানার। জাহাজ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্য ওঠানামা করাতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ‘কি গ্যান্ট্রিক্রেন’ আছে চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ। স্ট্রাডল ক্যারিয়ার, ফর্ক লিফট, রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রিক্রেনের মতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও আছে চাহিদার অর্ধেক। আবার ভারতের পণ্য যে সড়ক দিয়ে তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যে যাবে, সেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কও প্রস্তুত নয় এখন। দেশের পণ্য সামাল দিতেই হিমশিম খাচ্ছে চার লেনের এ মহাসড়ক। এ অবস্থায় পার্শ্ববর্তী দেশের পণ্য পরিবহন বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করবে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

ট্যারিফ কমিশনের কার্যক্রম :ভারত, নেপাল, ভুটানসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে পণ্য পরিবহনের সুবিধা দিলে কী ধরনের চাপ মোকাবেলা করতে হতে পারে বাংলাদেশকে, এ নিয়ে সম্প্রতি কোনো ফিজিবিলিটি স্টাডি হয়নি। তবে ভারতসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশকে ট্রানজিট সুবিধা দিলে তার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কী হবে, তা খতিয়ে দেখতে বছর ছয়েক আগে কাজ করেছে ট্যারিফ কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যানকে প্রধান করে গঠিত ট্রানজিট বিষয়ক কোর কমিটির সাব-কমিটিতে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর, রেলওয়ে, বিআরটিএসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ছিলেন। এই কোর কমিটি বলেছিল- ভারত, নেপাল, ভুটানসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশকে ট্রানজিট সুবিধা দিলে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বছরে ২০ ফুট দীর্ঘ বাড়তি এক লাখ ৮৭ হাজার কনটেইনার হ্যান্ডল করতে হতে পারে।

যা ছিল ওয়ার্কিং কমিটির সুপারিশে :সক্ষমতা যাচাই করে দেখতে ২০১২ সালে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ ওয়ার্কিং কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নৌ, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, রেল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত হয়েছিল এই ওয়ার্কিং কমিটি। ট্রানজিট কিংবা ট্রানশিপমেন্টের অর্থনৈতিক সুবিধা কাজে লাগাতে সড়ক, রেল ও নৌপথের বিদ্যমান অবকাঠামো ও ভবিষ্যৎ প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে কিছু সুপারিশ করে এ ওয়ার্কিং কমিটি। তখন তারা চট্টগ্রাম বন্দরের সর্ববৃহৎ ক্ষমতাসম্পন্ন নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পুরোদমে চালু করা, মোংলা বন্দরের তিনটি জেটি দ্রুত ব্যবহার উপযোগী করা, পর্যাপ্ত আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং মোংলা-খুলনা রেলপথ দ্রুত নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে সুপারিশ করে। তাদের এ সুপারিশের ভিত্তিতে গত ছয় বছরে কাজও করেছে সরকার। তাই চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর এখন পার্শ্ববর্তী দেশের পণ্য পরিবহনে সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে মনে করছে সরকার।

ট্রানজিট পণ্য যেতে পারে বছরে ১৮০ লাখ টন :কোর কমিটির তথ্য অনুযায়ী ভারত, নেপাল, ভুটানসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশকে ট্রানজিট সুবিধা দিলে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বছরে বাড়তি পণ্য পরিবহন হবে ১৮০ লাখ টন। এর মধ্যে ১৬০ লাখ টন পণ্য যাবে স্থলবন্দর, রেলপথ কিংবা স্থলপথ দিয়ে। অবশিষ্ট ২০ লাখ টন পণ্য যাবে দেশের প্রধান দুই সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মোংলা দিয়ে। অবকাঠামোগত কারণে ট্রানজিট কিংবা ট্রানশিপমেন্ট পণ্যের বড় ধকল সইতে হবে চট্টগ্রাম বন্দরকেই। ধীরে ধীরে এ চাপ আরও বাড়বে। কারণ, কমিটির হিসাব অনুযায়ী বছরে ট্রানজিট পণ্য বাড়বে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত।

কেন ট্রানজিট চায় ভারত :অবস্থানগত সুবিধার কারণেই চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে চায় ভারত। ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব এক হাজার ৬৮০ কিলোমিটার। অথচ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগরতলার দূরত্ব মাত্র ২৪৮ কিলোমিটার। মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ের সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব এক হাজার ১৫০ কিলোমিটার হলেও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এ দূরত্ব মাত্র ৫৭০ কিলোমিটার। মিজোরামের রাজধানী আইজলের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের দূরত্ব ৬৫৫ কিলোমিটার হলেও কলকাতার দূরত্ব এক হাজার ৫৫০ কিলোমিটার। নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমারের সঙ্গে বন্দরের দূরত্ব ৮৮০ কিলোমিটার হলেও কলকাতার দূরত্ব এক হাজার ৪৫০ কিলোমিটার। কলকাতা থেকে অন্যান্য রাজ্যের দূরত্বও চট্টগ্রামের তুলনায় গড়ে তিন গুণের বেশি। এ কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যে এখন কলকাতা বন্দর থেকে ফিডার জাহাজে করে পণ্য পরিবহন করতে হচ্ছে ভারতকে। এতে ভারত সরকারের সময় ও অর্থ দুটোই বেশি যাচ্ছে।

সুপারিশ ধরে তৈরি হয়েছে যেসব অবকাঠামো :ট্রানজিট বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটি মতামত দেওয়ার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প শেষ হয়েছে। গত ছয় বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকায় শতাধিক যন্ত্রপাতি এসেছে। এর মধ্যে আছে তিনটি কি গ্যান্ট্রিক্রেনও। আরও তিনটি কি গ্যান্ট্রিক্রেন বহরে যোগ হবে এ মাসের মধ্যে। পতেঙ্গায় বে-টার্মিনাল নামে নতুন একটি টার্মিনাল নির্মাণের প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত হয়েছে। শুরু হয়েছে এর ভূমি অধিগ্রহণের কাজ। ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ এ টার্মিনাল চালু হলে বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে বর্তমানের চেয়ে তিন গুণ বেশি। এটি চালু হলে কমে যাবে জাহাজের গড় অপেক্ষমাণ সময়। অবশ্য এরই মধ্যে বেড়েছে কনটেইনারের ধারণক্ষমতা। এত দিন ৩৪ হাজার থাকলেও এখন সেই ধারণক্ষমতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯ হাজার। ট্রানজিটসহ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এর মধ্যে ৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চালু করেছে সিটিএমএস নামে প্রকল্প। ৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজও শেষ করেছে।

সংশ্নিষ্টরা যা বলেন :এ প্রসঙ্গে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান সম্প্রতি চট্টগ্রাম সফরে এসে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর এখন বিশ্বমানের বন্দরে উন্নীত হয়েছে। বিশ্বের সেরা ১০০টি বন্দরের মধ্যে এ বন্দরের অবস্থান এখন ৭০তম। অথচ ২০০৮ সালেও আমরা ছিলাম ৯৫তম স্থানে। কনটেইনার পরিবহনের দিক থেকে ২৫ বছরে ২৫ ধাপ এগিয়েছি আমরা। পার্শ্ববর্তী দেশের পণ্য পরিবহনে আমাদের পর্যাপ্ত সক্ষমতা আছে এখন। বাড়ানো হচ্ছে স্ক্যানারের সংখ্যাও। গত ১০ বছরে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।’

ট্রানজিট বিষয়ক সাব-কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী দেশকে ট্রানজিট সুবিধা দিলে দেশের দুই সমুদ্রবন্দরকে প্রাথমিকভাবে এক লাখ ৮৭ হাজার টিইইউএস কনটেইনার বাড়তি পরিবহন করতে হতে পারে। ২০ ফুটের একটি কনটেইনারে এখন গড়ে সাড়ে ১০ টন পণ্য পরিবহন করা যায়। তাই টনের হিসাবে বছরে ট্রানজিট পণ্য হতে পারে ১৮০ লাখ। এর মধ্যে ১৬০ লাখ টন পণ্য যাবে স্থলবন্দর, রেলপথ কিংবা স্থলপথ দিয়ে। অবশিষ্ট মাত্র ২০ লাখ টন পণ্য যাবে দেশের প্রধান দুই সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মোংলা দিয়ে। তারপরও চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরকে ট্রানজিট পণ্য পরিবহনের আগে সক্ষমতা বাড়াতে ছয় বছর আগে আমরা কিছু সুপারিশ করেছিলাম। এরই মধ্যে সেগুলোর অনেকটি বাস্তবায়ন হয়েছে।’

সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী দেশের পণ্য পরিবহনের আগে আমাদের চাহিদা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় ঠিক করতে হবে। পণ্য পরিবহন করা গেলে আমাদের অর্থনীতি আরও চাঙ্গা হবে- এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু তার আগে ঝুঁকিসহ সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। সবার সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। এখনও দেশের প্রধান দুই বন্দরে পণ্য এনে দিনের পর দিন জাহাজকে অপেক্ষা করতে হয়। চার লেনের মহাসড়ককেও আমাদের পরিবহন সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই পাশের দেশের পণ্য পরিবহন শুরু করা হলেও কোন মাসে সর্বোচ্চ কতটুকু পণ্য আসবে, তা যেন নির্ধারণ করা হয় আগেভাগে। কোন বন্দর কতটুকু পণ্য হ্যান্ডল করবে, তা ঠিক করতে হবে আগেই। চাপ কমাতে চট্টগ্রাম ও মোংলার পাশাপাশি পায়রাকেও এখানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেন তিনি।

চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজ বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর তার সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করেতে পারছে না এখনও। পার্শ্ববর্তী দেশের পণ্য পরিবহনে পূর্ণ সক্ষমতাও আছে আমাদের। বে-টার্মিনাল নামে নতুন টার্মিনাল চালু হলে বন্দরের বর্তমান সক্ষমতা আরও তিন গুণ বাড়বে। পার্শ্ববর্তী দেশের পণ্য পরিবহনে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর।’ সূত্র : সমকাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত