প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৫৭ ধারা-ডিজিটাল আইন-কোটা আন্দোলন- নিরাপদ সড়ক জেনারেশন, আগামী ভোটে ইস্যু হয়ে উঠবে

আমান-উদ-দৌলা, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর  :  (১). ৫৭ ধারার মামলাগুলো জল-তল অবস্থায়। সাংবাদিকরাই বেশি লটকে আছে। সরকার প্রধানকে কেউ বুঝিয়েছে। নাকি, নিজের ইচ্ছাতেই বুঝে নিয়েছে। তা জানি না। এই ৫৭ ধারা সাংবাদিকরাই। সাংবাদিকের বিরুদ্ধে খেলেছে। তা অনেকের মনে আছে। (সাংবাদিক জাফর ওয়াজেদের বিরুদ্ধে একজন সাংবাদিক গত বিএফইউজের নির্বাচনের সময়, মামলা দিয়েছেন ৫৭ ধারায়।) আমরা সাংবাদিকরা আসন্ন ভোটের আগেই একদম বাতিল চাই উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রধানত আওয়ামী এবং বিএনপি-পন্থি। ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের দুই ধারার সাংবাদিক বৃন্দ এবং আমরা যারা আওয়ামী ও বিএনপি ধারায় সাংবাদিক নই। আমরাও ঐ ৫৭ ধারা অবিলম্বে বাতিল দেখতে চাই।
(২). ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি মোস্তফা জব্বার এনেছেন। তিনি টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। এবার সংসদে পাস করিয়েছেন। কিন্তু ওদিকে, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বুঝেছেন। এই আইনটা পাস করানোর ফলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেই গেছে আইনটি। সাংবাদিকদের প্রতিনিধি পর্যায়ে তিনি তাড়াহুড়া করে, মন্ত্রণালয়ে মিটিং ডেকেছেন। দেখা যাক কি হয় এই সভায়। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অজস্র সাংবাদিক আমরা। এই আইন-পাসের প্রতিবাদ করতে বাধ্য হয়েছি। সাংবাদিক মারুফ মান্নানের নেতৃত্বে আমরা ডি-আর-ইউর সামনে, প্রতিবাদ সভা করেছি। এর পর-পরই তথ্যমন্ত্রী মিটিং ডেকেছেন।
(৩). কোটা আন্দোলন। কয়েক মাস হয়ে গেলো। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে এবং সারাদেশে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেনে নিয়েছেন। তবে কোনো কোটা নয়, উঠিয়ে দিয়েছেন কিন্তু কতিপয় আমলা এবং তথাকথিত ছাত্র বন্ধুরা। তামাশা করলো। কোটা আন্দোলনের ফল। ছাত্ররা এখনো হাতে পাচ্ছে না। এটা কার দোষ?
(৪). নিরাপদ সড়কের জন্য। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটির সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা আন্দোলন করে গেলো। একটাও তাদের নিজস্ব দাবি ছিলো না। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম, নিজেদের কোনো দাবিতে নয়। ৯-দফা দাবির প্রধান ছিলো নিরাপদ সড়ক চাই। এজন্য ট্রাকে-বাসে-অটোতে ড্রাইভারের আসনে। কোনো খুনি নয়। কোনো অশিক্ষিত-অমানুষ নয়। তার বদলে, ভালো মানুষ চেয়েছে তারা। এই স্টুডেন্ট-জেনারেশন প্রথম বারের মতো ভোটার। মনে রাখতে হবে, ১৮ থেকে ২২ বছরের ছেলে-মেয়ে তারা। এর আগে কখনো ভোট দেয় নি। ঢাকার প্রধান প্রধান স্কুল কলেজের ছেলে-মেয়েরা। দেখেছি কয়েকদিন ধরে। অত্যন্ত স্মার্ট এবং সুযোগ্য। তাদেরকে যদি কোনো মন্ত্রী মশাই বলেন, বাবারা তোমরা যাও এখন। অনেক করেছো। তাহলে কেমন মন্ত্রী তারা। মন্ত্রীরা ছাত্রদের কে বললো। বাবারা তোমরা এখন যাও। এই বাবা-আতা সম্বোধন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী থেকেই বলে যাচ্ছে। এখনো বলছে। অবাক কান্ড। ইতিহাস থেকেও শেখে না কিছু। এখনো ৫২ সালের এবং পাকিস্তান আমলের মন্ত্রী হয়ে আমাদের ঘাড়ে চেপে আছে। যাদের কোনো বোধ-গম্যতা নেই। তারাই মন্ত্রী হয়ে যান। কী-আশ্চর্য্য!

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত