প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘নির্বিচারে হত্যা রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা হতে পারে না’

লিহান লিমা: মিয়ানমারে আটককৃত রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী আমাল ক্লুনি। জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে ক্লুনি বলেন, ‘সুচি নিজেও রাজনৈতিক বন্দি ছিলেন, তিনি এই কষ্ট জানেন, আর তার হাতেই তাদের মুক্তির চাবি রয়েছে।’

এক মাস আগে রয়টার্সের সাংবাদিক ওয়া লোন (৩২) ও কেও সোয়ি’কে ( ৩২) রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৭ বছরের কারাদ- দেয়া হয়। এরপর সুচি তাদের গ্রেপ্তারের পক্ষে সাফাই গাইলে বিশ্বজুড়ে নিন্দা আরো চরমে ওঠে।

জাতিসংঘে বক্তৃতার সময় ক্লুনির তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন রয়টার্সের প্রধান সম্পাদক স্টেফেন অ্যাডলার। ক্লুনি বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার চাইলেই এটি আজই শেষ করতে পারে। সুচি জানেন নির্বিচারে গণহত্যা কখনোই রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা লঙ্ঘন নয় এবং এই সংবাদ প্রকাশের জন্য একজন সাংবাদিককে গুপ্তচর হিসেবে আখ্যা দেয়া যায় না।’ ক্লুনি আরো বলেন, ‘সুচি যে কারাগারে ঘুমিয়েছেন ওয়া লোন ও কেও সোয়িও সেই কারাগারেই ঘুমাচ্ছেন। একজন রাজনৈতিক বন্দি হওয়ার মানে কি তা সুচি যে কারো থেকে ভালো বোঝেন। তিনি তাদের মুক্তি দিতে পারেন। সুচির হাতেই দুই সাংবাদিককে তাদের সন্তানের কাছে যাওয়ার চাবি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার চাবি রয়েছে। এই চাবি হচ্ছে সত্যের ও জবাবদিহিতার, এই চাবি গণতন্ত্রের ও সমৃদ্ধ মিয়ানমারের। তার পদক্ষেপ দিয়েই ইতিহাস তাকে বিচার করবে।’

ক্লুনি জানান, দুই সাংবাদিকের স্ত্রী এক সপ্তাহ আগে তাদের স্বামীকে ক্ষমা করার জন্য মিয়ানমার সরকারের কাছে চিঠি লিখেছেন। এটি হৃদয়স্পর্শী। এই মামলা দুই নিরপরাধ ব্যক্তিকে আটকের চেয়েও বেশি কিছু। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর-পাকড়, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াও ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়ে সাড়ে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। জাতিসংঘ এটিকে ‘গণহত্যা’ বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ডেইলি মেইল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত