প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমি কুচক্রীমহলের শিকার: প্যানেল মেয়র জামাল মোস্তফা

শাকিল আহমেদ: বাংলাদেশে মাদক বিস্তারের শুরু থেকেই আমি মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছি। এতে নানা ধরনের হুমকি ধমকির শিকারও হতে হয়েছে। তারপরও সবার রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সম্প্রতি আমি নিজেই সেই কুচক্রীমহলের শিকারে পরিণত হয়েছি।

নিজের ছেলেকে মাদকসহ আটকের বিষয়ে শনিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন, ডিএনসিসির প্যানেল মেয়র মো. জামাল মোস্তফা।

জামাল মোস্তফা বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে আমার বড় ছেলে রফিকুল ইসলাম রুবেলকে তার বন্ধু পরিচয় দিয়ে কে বা কারা ফোনে ডেকে নেয়। পল্লবী থানা পুলিশ আমার ছেলেসহ আরও ২ জনকে আটক করে নিয়ে যায়। যে বাড়ি থেকে তাদেরকে আটক করে ঐ বাড়িটি মিরপুর থানাধীন এবং বাড়িটি একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার। আটককৃতদের মধ্যে একজন ঐ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে। তাছাড়া ১জন মহিলাও আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমি পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন করি। পরবর্তীতে থানায় গেলে আমাকে জানানো হয়, আটককৃতরা মাদকের সঙ্গে যুক্ত। আমার ছেলেকে ছেড়ে দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। অবশেষে ২৭ সেপ্টেম্বর আটককৃতদের সবাইকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের বরাত দিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমার ছেলেকে তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী উল্লেখ করে বিভ্রান্তিমূলক খবর প্রকাশিত হয়। তাছাড়া আটককৃত মহিলাকে আমার ছেলের স্ত্রী হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া আরও কিছু বিভ্রান্তমূলক তথ্য পরিবেশন করা হয়।

প্যানেল মেয়র বলেন, আমার সন্তান কোনো মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলনা। আটককৃত মহিলাও আমার ছেলের স্ত্রী নয়। একটা কুচক্রীমহল ষড়যন্ত্র করে এটা ঘটিয়েছে। এছাড়া পুলিশের দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে আমার ছেলেকে আটক করা হয়। কিন্তু আটক করেছে আগের দিন আনুমানিক রাত ৮টায়। আটকের স্থান হিসেবে দেখানো হয়েছে পল্লবী থানার অধীন। অথচ জায়গাটি মীরপুর থানার অধীন। সময় ও স্থান দুটিতেই অসামঞ্জস্য রয়েছে। এতে বোঝা যায় বিষয়টি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক। এসময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী রোকেয়া জামান ও পুত্রবধু নাহিদা সুলতানা পলি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত