প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গুজব ঠেকাতে ফেসবুক মনিটরিং সেল করছে সরকার

হ্যাপি আক্তার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র তিন মাস। নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে এবার ‘ফেসবুক মনিটরিং সেল’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলতি মাসের শেষ দিকেই এ সেল গঠন হবে। যার মাধ্যমে ফেসবুকে মিথ্যা কোনো পোস্ট দিলে তিন ঘন্টার মধ্যেই সঠিক তথ্য দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল মনিটরিং যথেষ্ট নয়; বিভ্রান্তি ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সূত্র : ডিবিসি নিউজ

প্রাথমিক পর্যায়ে তথ্য মন্ত্রনালয়ের অধিনস্থ সংস্থার ১৫ থেকে ২০ জনকে নিয়ে গঠন করা হবে সেলটি। পর্যায়ক্রমে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও।

তথ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে গঠিত এই সেল ২৪ ঘন্টা মনিটর করবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। সেখানে যে সংবাদগুলো গুজব তা চিহ্নিত করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হবে।

এসব গুজব ছড়াতে বিএনপি এবং জামায়াতের বড় একটা বিনিয়োগ আছে বলে মন্তব্য করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, দেশের বাইরেও এদের বিনিয়োগ আছে। যাদের কাজ হচ্ছে কন্টেন্ট ডেভলপমেন্ট করা ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে দেওয়া। আমরা যে সেল গঠন করতে যাচ্ছি তারা এগুলো মনিটর করবে এবং যেটি গুজব সে বিষয়টি তুলে ধরবে।

তারানা হালিম বলেন, এ সেল গঠনে আমরা গোয়েন্দা সংস্থা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় এবং আইসিটি বিভাগের সহায়তা গ্রহন করবো। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকেই আমাদের ‘ফেইসবুক মনিটরিং সেল’ শুরু করার ইচ্ছা আছে।
গুজব বন্ধে সরকারের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রেস বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমের পাশাপাশি গুজব বিরোধী আলাদা একটি ফেসবুক পেইজ খোলা যেতে পারে।

ফাইবার এ্যাট হোমের চিফ টেকনোলজি অফিসার সুমন আহমেদ সাবির বলেন, সরকার নিজেই যদি একটি ফেসবুক পেজ করে অথবা প্রত্যেকটি দল যদি একটি ফেসবুক পেজ করে এবং সেখানে সঠিক তথ্যটি তুলে ধরে তাহলেই এসব গুজব বন্ধ করা সম্ভব। এছাড়া কোনটি গুজব, কোনটি সঠিক তথ্য বা কি হচ্ছে বা কি হওয়া উচিত সাধারণ মানুষ টেলিভিশন, পত্রিকা আর মাঠের বক্তব্যের পাশাপাশি দলগুলোর নিজস্ব ফেইসবুক পেজের মাধ্যমে আর একটা জায়গা পেল যেখানে তারা সঠিক তথ্য পাবে এবং নির্বাচন বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে।।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ