প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

‘শেখ হাসিনার কাছে হিসাব আছে কোন এমপি কত টাকার মালিক’

বাংলা ট্রিবিউন : আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা আমাদের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত। বিশ্ব নেতৃত্ব শেখ হাসিনার কাছে জানতে চেয়েছে উন্নয়নের ম্যাজিক কী জিনিস। শেখ হাসিনা এখন অনেক পরিপক্ক নেত্রী। তাই তিনি স্বজন প্রীতি বা কোনও দুর্নীতিবাজকে আর নমিনেশন দেবেন না। শেখ হাসিনার কাছে সব হিসাব আছে, কোন এমপি কত টাকার মালিক হয়েছেন।’

শুক্রবার বিকালে পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী উপজেলার আদর্শ বয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জনসভায় তিনি একথা বলেন। আগামী নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগ থেকে তিনি মনোনয়ন চান।

তিনি বলেন, ‘এমপি বা মন্ত্রী না হয়েও আমি জনগণের পাশে ছিলাম, আগামীতেও থাকবো। বলদিয়া, স্বরুপকাঠীসহ পিরোজপুর-১ আসনের অবহেলিত জনপদকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

রেজাউল করিম বলেন, ‘১/১১ তে নেত্রীর আত্মীয়রা বলেছেন, তোমার রাজনীতি করার দরকার নেই। নেত্রী বলেছিলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, আপোষ জানি না। শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি মানবতার মা। শেখ হাসিনা বা তার পরিবারের কেউ দুর্নীতবাজ নয়, তাদের টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। তাই দুর্নীতিবাজরা অবৈধ টাকা দিয়ে আর নমিনেশন পাবে না।’

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানিরাবঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, আপনি অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না, আমি চাই বাংলার মানুষের অধিকার ও মুক্তি। পাকিস্তানিরা বলেছিল আপনার ফাঁসির রায় হয়েছে। ফাঁসি কার্যকর করা হবে, তখন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন আমার যদি ফাঁসি হয় তবে আমার লাশটি বাংলার মানুষের কাছে পাঠিয়ে দিও। এই হলো এদেশের মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘জাতির জনককে হত্যা করা হলো অথচ জিয়া ক্ষমতায় এসে এমন আইন করলো যে, খুনিদের বিচার করা যাবে না। জিয়া খুনিদের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত করে পুরস্কৃত করেছিলেন। তেমনি আবার খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় এসে রাজাকার, আলবদর ও যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। খালেদা এদেশে নিজামী, মুজাহিদসহ সাকা চৌধুরীদের মন্ত্রী করে পুরস্কৃত করেছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ এলাকার যে কয়টি রাস্তায় আজ চলেছি, সব রাস্তাই আমার কাছে মরণ ফাঁদ মনে হয়েছে। অথচ সারাদেশে আজ শেখ হাসিনার কারণে উন্নয়নের জয়জয়কার। বলদিয়ার রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব অবকাঠামো চরম অবহেলিত। এগুলো উন্নয়ন করতে আমার কোনও এমপি বা মন্ত্রীর ডিওলেটার বা সুপারিশ লাগবে না। দলের আইন সম্পাদক হিসেবে আমি সরাসরি শেখ হাসিনার কাছে যাবো। আমার কষ্ট হয় তখনই যখন দেখি এলাকার নেতারা, এমপিরা এলাকার উন্নয়ন না করে নিজেদের উন্নয়নে ব্যস্ত।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত