প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ড. কামাল সিগনাল পান নাই!

ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন ড. কামাল হোসেন। যখন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া কেবলমাত্র বাস্তবে রূপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে ড. কামাল হোসেন বিদেশ পাড়ি জমালেন।

গত বুধবার রাতে ড. কামাল হোসেন ব্যাংকক গিয়েছেন এবং সেখান থেকে তিনি সিঙ্গাপুরে চলে গেছেন। তাঁর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি ৬ অক্টোবরের আগে দেশে ফিরবেন না।

অথচ জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর থেকে আন্দোলন শুরু করার কথা ছিল। গত ২২ সেপ্টেম্বর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে নাগরিক সমাবেশ করা হয়েছিল। সেই সমাবেশে ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন, ৩০ তারিখের মধ্যে নির্বাচনকালীন সরকার এবং সংসদ ভেঙে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে হবে। সরকার এটাতে কোনো সারা দিলেন না। ড. কামাল হোসেন এই আল্টিমেটামের পর আন্দোলন শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আন্দোলন না করে বিদেশে চলে গেলেন।

গতকাল যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতাদের মধ্যে এক আলাপ-আলোচনা হয়। সেখানে তাঁরা ড. কামাল হোসেনের বিদেশ যাওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। এসময় জাসদের আ. স. ম. আব্দুর রব বলেন, ড. কামাল হোসেন আমাদের কাছে অঙ্গিকার করেছিলেন যে, এই আন্দোলন শেষ করার আগে কোন ভাবেই বিদেশ যাবেন না। কিন্তু তিনি এই সময় মাঝপথে বিদেশ চলে গেলেন।

একই বৈঠকে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘ড. কামাল হোসেন নিশ্চয়ই সিগনাল পান নাই। উনি সিগনাল ছাড়া কোনো কাজ করেন না। এই সিগনাল না পাওয়ার কারণে তিনি হয়তো হতাশ হয়ে চলে গেছেন। কিন্তু আমাদেরকে আন্দোলন করতে হবে।’

ড. কামাল হোসেনের বিদেশ যাওয়া নিয়ে একটা বার্তা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, যারা ড. কামাল হোসেনকে ঐক্য প্রক্রিয়া ও সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্ররোচিত করেছিল উদ্যোগী হয়ে এবং সমর্থন দিয়েছিল, সেই সমর্থন এখন নাই। বিশেষ করে জামায়াত ইস্যু, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি এবং জোটের মুল শক্তি বিএনপি থেকে তারেক জিয়াকে মাইনাস করার বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ কোনো সিদ্ধান্ত হয় নাই, তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যারা ঐক্য প্রক্রিয়ার বিষয়ে প্রথমে আগ্রহী থাকলেও, বর্তমানে তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। ফলশ্রুতিতে ড. কামাল হোসেন আবার গা ঢাকা দিলেন।

উল্লেখ্য, ড. কামাল হোসেন সবসময় দেশে যখন কোনো আন্দোলন শুরু হয়, আন্দোলনের মাঝ পথে দেশের বাহিরে চলে যান এবং গা ঢাকা দেন বলে তাঁর একটা দুর্নাম রয়েছে। সেটা ড. কামাল হোসেন আরও একবার প্রমাণ করলেন। সূত্র: ভোরের পাতা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত