প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চুম্বনে কমবে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি

আহম্মেদ মুন্নি : শরীরের সঙ্গে শরীরের স্পর্শ, আর ঠোঁটের সঙ্গে ঠোঁটের-এটি মোটেও অস্বাস্থ্যকর নয়, বরং এই স্পর্শই নাকি দিনমানের স্ট্রেস কমিয়ে ভালো রাখে হার্ট। শরীরও হয় বিলকুল চাঙ্গা, ঝরঝরে। এমনটাই জানিয়েছেন ফিনল্যান্ডের একদল গবেষক।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই স্পর্শ নাকি কাজ করে ম্যাজিকের মতো। নিবিড় আলিঙ্গন বা একটা প্যাসনেট চুমু যে ভালোলাগার অনুভূতি তৈরি করে, তা শরীরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে স্নায়ুকে তাজা রাখে। শারীরিক উত্তেজনা থেকে রক্ত চলাচল হয় হু হু করে।

একই মত সুইডেনের বিজ্ঞানীদেরও। একটি বিজ্ঞানপত্রিকায় গবেষকরা লিখেছিলেন, আলিঙ্গন বা আদর শুধু প্রাপ্তবয়স্ক নয়, শিশুদেরও শারীরিক উন্নতি ঘটায়। আমরা যখন এক অপরকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাই তখন আমাদের শরীরে অক্সিটসিন হরমোন নিঃসারণ হয়। এই হরমোন আমাদেরকে মানসিকভাবে সুখী অনুভব করতে সাহায্য করে। এই হরমোন সামাজিক বন্ধন ও একে অপরের প্রতি আস্থাশীল হতেও সাহায্য করে কেন না নিউরো-পেপটাইড অক্সিটক্সিন হরমোন আমাদের মধ্যে সততা, অনুরাগ বাড়িয়ে তোলে। যখন আপনি অপরকে জড়িয়ে ধরেন তখন ত্বকের মধ্যে থাকা পাসিনিয়ান কর্পাসেলস নামে প্রেসার রিসেপটর মস্তিষ্কে সংকেত পাঠিয়ে রক্তচাপ কমিয়ে দেয়। যা হার্টের ভাল থাকার পক্ষে খুবই জরুরি।

তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন হার্ট ভালো রাখতে ওষুধ নয়, বরং প্রিয় মানুষের আলতো ছোঁয়াই হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। আর সম্পর্কের রসায়নের কথায় যদি আসা হয়, সে ক্ষেত্রে চুমুর তো বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। নেদারল্যান্ডের এক দল বিজ্ঞানী জানিয়ে ছিলেন ১০ সেকেন্ডের ছোট্ট একটা চুমুর সঙ্গে আমরা ৮০ মিলিয়ন ব্যাকটেরিয়ার আদান প্রদান করি। ভয় পাবেন না। এই সব ব্যাকটেরিয়া মোটেই ক্ষতিকর নয়। বরং, ক্ষণিকের জন্য ঠোঁট বন্দি হলেই শরীরে জুড়ে নিউরো ট্রান্সমিটার আর হরমোনদের ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। তাতেও শরীরও হয়ে ওঠে ফিট অ্যান্ড ফাইন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত