প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অর্ধশতাধিক পেশাজীবী নৌকার টিকিটপ্রত্যাশী

ডেস্ক রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে তৎপর দেশের অর্ধশতাধিক পেশাজীবী নেতা। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দলের শীর্ষ পর্যায়ে দেনদরবারের পাশাপাশি তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় রাজনীতির মাঠেও সক্রিয় আছেন। ‘নৌকা’র টিকিটপ্রত্যাশী পেশাজীবীদের মধ্যে বেশিসংখ্যকই হলেন শিক্ষক, চিকিৎসক ও আইনজীবী। এ ছাড়া আছেন কয়েকজন সাংবাদিক, প্রকৌশলী ও কৃষিবিদ।

ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী এই পেশাজীবীদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমান সংসদ সদস্যও আছেন। কেউ কেউ আবার আগে থেকেই দলের উঁচু পদেও আসীন। মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাও আছেন দু-একজন। তবে বেশির ভাগই নতুন মুখ।

সাংবাদিকদের মধ্যে ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে পারেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে নৌকা নিয়ে লড়তে চান ঢাকা টাইমস২৪ডটকম সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন। এরই মধ্যে তিনি ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙা-বোয়ালমারী-মধুখালী) নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। আরিফুর রহমান দোলন  বলেন, ‘আমি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। মানুষও আমাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গ্রহণ করেছে, আপন করে নিয়েছে। আশা করি, দলের শীর্ষ পর্যায় থেকেও মনোনয়নের ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া পাব।’

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলদেশের (কেআইবি) সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বর্তমানে মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। এবারও তিনি দলের মনোনয়ন পেতে পারেন। সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কৃষিবিদ ড. আবদুর রাজ্জাকও বর্তমানে টাঙ্গাইল-১ আসনের এমপি এবং দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। সামনের নির্বাচনেও তাঁর মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। কেআইবির সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ আবদুল মান্নানও বর্তমানে বগুড়া-১ আসনের এমপি। এবারও প্রার্থী হতে পারেন তিনি। এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে মনোনয়ন পেতে তৎপরতা চালাচ্ছেন কেআইবির বর্তমান সভাপতি এ এম এম সালেহ এবং মহাসচিব মোহাম্মদ খায়রুল প্রিন্স।

প্রকৌশলীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় আছেন ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইবি) সভাপতি আব্দুস সবুর।

চিকিৎসক : চিকিৎসকদের মধ্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ও সাবেক এমপি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এবারও দলের প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। এ ছাড়া এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। আলোচনায় আরো আছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, বর্তমান প্রোভিসি অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নুরুল হক, স্বাচিপের সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. এম এ রউফ সরদার, বিএমএর সহসভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, অর্থপেডিক বিশেষজ্ঞ মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন, ডা. মুরাদ হোসেন, বিএমএর দপ্তর সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ শেখ শহীদ উল্লাহ, বিএমএর খুলনা বিভাগীয় সহসভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায়, ডা. রেজোয়ানুল হক রব্বানী প্রমুখ।

বিএমএর সভাপতি ও সাবেক এমপি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, ‘রাজনীতি আমার জীবনের অঙ্গ আর পেশাগত জীবনে চিকিৎসক হিসেবে আমি আজীবন নিজেকে সৌভাগ্যবান ও গর্বিত মনে করি এবং করব। দুটি নিয়েই আমি বাঁচতে চাই, আর নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনের মানুষের সেবা করে যেতে চাই।’

বিএসএমএমইউয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত বলেন, ‘আমি কুমিল্লা-৭ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। আশা করি আমি বিমুখ হব না। আর মনোনয়ন পেলে এলাকার মানুষ আমাকেই জয়ী করবে—এই বিশ্বাস আমার আছে।’

স্বাচিপের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘এলাকার (রাজবাড়ী-২) মানুষ আমাকে ভালোবাসে, আমি তাদের সেবায় আরো আগে থেকেই কাজ করে যাচ্ছি। মনোনয়ন পেলে মানুষই আমাকে বিজয়ী করবে।’

স্বাচিপের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকায় (ময়মনসিংহ-৪) আমার নিজস্ব বেশ শক্ত কিছু ভোটব্যাংক আছে। মনোনয়ন পেলে জয়ী হতে আমার কোনো সমস্যা হবে বলে মনে করি না।’

পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ও বিএসএমএমইউয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইল-৩। এখানকার মানুষ নানাভাবে সুবিধাবঞ্চিত। এলাকার প্রতিটি অঞ্চলে আমার যোগাযোগ রয়েছে। আমি পুরোদমে প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে রয়েছি। মনোনয়নের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

অধ্যাপক ডা. দীন মো. নুরুল হক প্রথমবারের মতো মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে। তাঁর কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্নভাবে প্রচারও শুরু করেছে। আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যানবিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে আগে থেকেই কাজ করছেন। নরসিংদী-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে চান অধ্যাপক ডা. এম এ রউফ সরদার। হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী মনোনয়ন চাইবেন হবিগঞ্জ-১ আসনে। ডা. মোহাম্মদ শেখ শহীদ উল্লাহ কাজ করছেন খুলনা-৬ নির্বাচনী এলাকায়। ডা. শেখ বাহারুল আলম প্রার্থী হতে চান খুলনার যেকোনো একটি আসন থেকে। পিরোজপুর-৩ আসনে মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন ডা. এম নজরুল ইসলাম। রংপুর-১ আসনে মনোনয়ন চাইবেন ডা. রেজাওয়ানুল হক রব্বানী। তিনি বলেন, ‘এলাকার মানুষ আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধি চায়। আমি তাদের সেবা করছি। দলীয় মনোনয়ন পেলে মানুষ এখানে নৌকার প্রার্থী হিসেবে আমাকেই জয়ী করবে।’

বিএসএমএমইউয়ের প্রোভিসি ও গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার গাজীপুর-৪ আসনে ১৪ দলীয় জোট থেকে মনোনয়ন চাইবেন।

আইনজীবী : রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। এই আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। পিরোজপুর-১ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু ঢাকা-৭ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী।

নীলফামারী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাটুলিয়া) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। তিনি চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র প্রয়াত এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে। পাবনা-২ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রবিউল আলম বুদু। এই আসনে বর্তমান এমপি ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু। নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওসার। ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ ময়মনসিংহ-২ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল। টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার ও নাগরপুর) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম। এ আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের খন্দকার আবদুল বাতেন। হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। নীলফামারী-৪ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ব্যারিস্টার মোকসেদুল ইসলাম। বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ব্যারিস্টার শেখ ওবায়দুর রহমান। পটুয়াখালী-৩ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী কৃষক লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস এম ফজলুল হক। এ আসনের বর্তমান এমপি আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন। সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এনামুল কবির ইমন সুনামগঞ্জ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী।

শিক্ষক নেতা : আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের বৃহৎ সংগঠন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের (স্বাশিপ) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলম সাজু প্রার্থী হতে চান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে। সাজু বর্তমানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য। আশুগঞ্জে বঙ্গবন্ধু কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি ১৯৭৩ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ পায়নি। আমি ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের সঙ্গে ছিলাম। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সুবাদে শিক্ষকদের উন্নয়নে কাজ করেছি। এ ছাড়া এলাকার একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আমি। রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ নির্মাণে অনেক আগে থেকেই ভূমিকা রাখছি। নিয়মিতই এলাকার মানুষের পাশে আছি। ওয়ান-ইলেভেনে আমিই একমাত্র শিক্ষক নেতা যে শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য সর্বপ্রথম রাস্তায় নেমেছি। আওয়ামী লীগ যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি শেখ হাসিনাকে এই আসনটি উপহার দিতে পারব বলে শতভাগ আশাবাদী।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-দেবহাটা-কালীগঞ্জের একাংশ) আসনে প্রার্থী হতে চান। এ আসনের বর্তমান এমপি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আ ফ ম রুহুল হক। ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ  বলেন, ‘আমার এখন আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। আমি যদি রাষ্ট্রের দেওয়া অর্থ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি, সেটাই হবে অনেক বড় কাজ। মানুষ অবশ্য এর চেয়ে বেশি কিছু চায় না। তারা চায় এমপি সৎ থাকুক। আমি নিজে শিক্ষক এবং শিক্ষকের ছেলে। এটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি, গরিবের পয়সা চুরি করব না। আগামী নির্বাচনে আমাদের এই আসনটা বের করে আনা বর্তমান এমপির জন্য কঠিন। তাই দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।’

আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকদের আরেক মোর্চা জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হক প্রার্থী হতে চান কিশোরগঞ্জ-৩ আসন (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) থেকে। রাজধানীর তেজগাঁও মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ অবসর সুবিধা বোর্ডের সাবেক সদস্যসচিব আসাদুল হক বলেন, ‘আমার আসনটি পর পর দুইবার মহাজোটের শরিক দল হিসেবে জাতীয় পার্টিকে দেওয়া হয়েছে। এখন তৃতীয়বার দিলে এই আসনে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকবে না। আর আসনটিও হারাতে হবে। এ কথা এরই মধ্যে আমরা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জানিয়েছি। আমি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা। ৪২ বছর ধরে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে এ কথা বলতে পারি, নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত।’

তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ ও তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশীদ নির্বাচন করতে চান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি) আসনে। তিনি বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (বাকবিশিস) কার্যকরী সভাপতি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য ও নেত্রকোনার সুসং কলেজের উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং নেত্রকোনা-১ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চান।

একসময় শিক্ষকতা পেশায় ছিলেন এমন কয়েকজন বর্তমানে আওয়ামী লীগের এমপি এমনকি মন্ত্রী হিসেবে আছেন, কেউ কেউ আগে এমপি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে এবারও মনোনয়নপ্রত্যাশী। সাবেক ওই শিক্ষকদের মধ্যে উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), অধ্যাপক আবু সাইয়িদ (পাবনা-১), অধ্যাপক পান্না কায়সার (কুমিল্লা), বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা গোলাম মোস্তফা নীলফামারী-৩, ড. হামিদা বানু শোভা নীলফামারী-১ আসন, অধ্যাপক এম আমান উল্লাহ ময়মনসিংহ-১১ আসন, অধ্যাপক এম এ মান্নান কিশোরগঞ্জ-২ আসন, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ময়মনসিংহ-৫ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। সূত্র : কালের কণ্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ