প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

পাকিস্তান বধে দলগত নৈপূণ্য ছিল চোখে পড়ার মতন

এম এ রাশেদ: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার এশিয়া কাপের অনেকটাই অলিখিত সেমি ফাইনালটি টান টান উত্তেজনায় ভরপুর ছিল।যদিও পাকিস্তানকে বিদায় করে ম্যাচটি শেষপর্যন্ত ৩৭ রানে জিতে নেয় মাশরাফিরা।
এশিয়া কাপের ১৪তম আসরের ফাইনালের টিকিট পেয়েছে মাশরাফিরা। টান টান উত্তেজনায় ভরপুর থাকা ম্যাচটি ৩৭ রানে জিতে মাশরাফিরা আজ শুক্রবার দুবাইয়ে এবারের আসরের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে।
মূলত দলগত নৈপূণ্যে বুধবার এশিয়া কাপের ইতিহাসে ওয়ানডে ফরমেটে এই প্রথম পাকিস্তানকে হারানোর স্বাদ পায় বাংলাদেশ।
২৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পাকিস্তান। এদিন বাংলাদেশের মত পাকিস্তানও ৩ উইকেট হারায় ২০ রান সংগ্রহ করার আগেই। যেখানে মাত্র ১২ রানেই মাশরাফিবাহিনী ৩ উইকেট হারিয়েছে। সেখানে মিরাজ-মুস্তাফিজের বোলিং তোপে পড়ে পাকিস্তান দলীয় ৩ উইকেট হারায় মাত্র ১৮ রানে। তখন মনে হয়েছিল পাকিস্তান ৩০ ওভারের আগেই অলআউট হবে। ঠিক সে সময়ে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় ওপেনার ইমাম উল হক।
এ ওপেনার এদিন দারুণ ব্যাটিং করে ম্যাচটা অনেকটাই পাকিস্তানের পক্ষে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ম্যাচের ৪০.৫ ওভারে পাকিস্তানের রান যখন ৬ উইকেটে ১৬৭ তখন ইমামকে ব্যক্তিগত ৮৩ রানে রিয়াদের বলে উইকেটরক্ষক লিটন স্ট্যাম্পিং করলে তখন আবার বাংলাদেশ দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে।
এদিন মুস্তাফিজ ১০ ওভারে ৪৩ রানে নেন ৪ উইকেট।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে সাকিবকে ছাড়াই টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ম্যাচের শুরুতেই মাত্র ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়া বাংলাদেশকে মূলত উদ্বার করেন লাল-সবুজের ব্যাটিং কান্ডারী মুশফিকুর রহিম ও বাংলাদেশের তরুণ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিথুন।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে এ দু’জন মিলে গড়েছেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ রানের জুটি (১৪৪)। যদিও ক্যারিয়ারের ৭ম ওয়ানডে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকতেই শাহিন আফ্রিদির বলে পাকিস্তান অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক সরফরাজকে ক্যাচ দিয়ে হতাশাজনকভাবে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এবারের এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে ১৪৪ রানের মহাকাব্যিক ব্যাটিংয়ের নায়ক মুশফিক। এদিন অলিখিত সেমিতে ৯৯ রানে আউট হয়ে মুশফিকুর রহিম গড়েছেন আরেকটি বিরল রেকর্ডও।
ক্রিকেটের যে কোন ফরম্যাটে ৯৯ রানে আউট হওয়া প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার তিনি।
বাংলাদেশের ইনিংস যখন ধ্বংস্তুপের মধ্যে পড়েছিল তখনই মুশফিককে যোগ্য সঙ্গ দেন মোহাম্মদ মিথুন। এদিন মিথুনের ব্যাট থেকে এসেছে ৬০ রান। পাশাপাশি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ করেন ২৫, টাইগার দলপতি মাশরাফি ১৩ ও আরেক তরুণ সেনানী মিরাজ করেন ১২ রান।
বাংলাদেশের ফাইনালে উঠার দিনে রিয়াদ, মাশরাফি ও মিরাজ শুধু ব্যাটিংয়ে নয় বোলিংয়েও দারুণ বাজিমাত করেন।
এদিন মাশরাফি মূলত দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তার নেতৃত্বে বলীয়ান হয়ে ২৩৯ রানের মতো পুঁজি নিয়েও ৩৭ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে টিম বাংলাদেশ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত