প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শুক্রবার বাংলাদেশের শিরোপা জয় নাকি ভারতের পুনরুদ্ধার

এল আর বাদল : চতুর্দশ এশিয়া কাপের ফাইনাল শুক্রবার। বাংলাদেশের জন্য দিনটি শিরোপা জয়ের হবে নাকি ভারতের শিরোপা পূণরুদ্ধারের গল্প লেখা হবে। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ক্রিকেট বিশ্বের ভক্তরা চোখ রাখবেন আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।

এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে বাংলাদেশ-ভারত এটি টানা দ্বিতীয় স্বাক্ষাত। আগেরবার (২০১৬) ছিলো উভয় দলের সংক্ষিপ্ত ভার্সন টি-২০ এশিয়া কাপের ফাইনাল। এনিয়ে তৃতীয়বার বাংলাদেশ এশিয়ার এই সেরা আসরের ফাইনাল খেলছে। ২০১২ সালে ৫০ ওভারের এশিয়া কাপ তো প্রায় জিতেই গিয়েছিলো সাকিব আল হাসানের দল। ময়দানি যুদ্ধে তখন টাইগাররা মাত্র ২ রানে হার মানে পাকিস্তানের কাছে। এবার পেছনের সব ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠে ভারতের বিরুদ্ধে শিরোপা লড়াইয়ের যুদ্ধে নামছে লাল-সবুজ দলের ওরা ১১ জন। বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৫টায় দুবাইয়ের সবুজ গালিচায় মোকাবিলা করবে মাশরাফি আর রোহিত শর্মাবাহিনী।

আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে ভারত (২) থেকে বেশ নিচে বাংলাদেশের (৭) অবস্থান। তবু চলতি এশিয়া কাপে শক্তির পার্থক্যে ভারত থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। তার জ্বলন্ত উদাহরণ রেখেছে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানকে হারিয়ে। এশিয়া কাপে এই দুই দল ১০ বার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের জয় মাত্র একটি। বাকি ম্যাচ জিতিছে ভারত। তবে এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩৩ বার দুই দল মোকাবিলা করে। যেখানে ভারত ২৭ আর বাংলাদেশ ৫বার জিতেছে।

টাইগার দলপতি মাশরাফি ভারতকে নিয়ে পেছনে তাকাতে চান না। ভারত শক্তিশালী দল হলেও তাদের মোকাবিলা করার মতো যথেষ্ঠ সামর্থ্য বাংলাদেশ দলের রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
ওদিকে ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা বলেছেন, বাংলাদেশ দল আর আগের অবস্থানে নেই। তারা এখন একটি পরিপক্ক দল। যে কোনো প্রতিপক্ষকে হারানোর ক্ষমতা রাখে তারা। রোহিত এও বলেছেন, আগামীকাল ফাইনালে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের শিরোপা নিয়ে একটি যুদ্ধ হবে।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দুর্দান্ত পাফরমেন্সেরও প্রশংসা করেন ভারতের অধিনায়ক। বিশেষ করে মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, মিঠুন, মুস্তাফিজ ও মিরাজের খেলায় মুগ্ধ তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত