প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ২০১৯ সালে হ্রাস পাবে এশিয়ার প্রবৃদ্ধি: এডিবি

লিহান লিমা: বাণিজ্য যুদ্ধের মুখে আগামী বছরে এশিয়ার আর্থিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। বুধবার এডিবির প্রতিবেদনে ২০১৮ সালে এশিয়ার অর্থনীতি ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রত্যাশা করা হলেও ২০১৯ সালে এই হার ৫.৮ ভাগে নেমে আসার আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়।

এডিবি জানায়, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের প্রবৃদ্ধি চলতি বছর ৬.৩ শতাংশ বাড়বে, যা বর্তমান বছরের তুলনায় ০.৩ শতাংশ কম। বাণিজ্যিক দ্বন্দ্ব ও আর্থিক টানাপোড়ন এই অঞ্চলের জন্য সংকট ডেকে আনবে বলেও এডিবি ব্যক্ত করে। তারা আরো জানায়, যদি যুক্তরাষ্ট্র এই শুল্কারোপের পরিমাণ বহাল রাখে ও এটি আরো বৃদ্ধি করে তবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য ২ থেকে ২.২৫ শতাংশ বাড়বে, এছাড়া এশিয়ার বর্তমান মুদ্রা বাজার, পুঁজি ও বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেই সঙ্গে চীন, হংকং, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ায় আবাসনের মূল্য অনেক বাড়বে।

এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাণিজ্য যুদ্ধের সবচেয়ে বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ আসবে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনার ওপর। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় আমদানিকৃত ২০ হাজার কোটি ডলারের চীনা পণ্যে শুল্কারোপের ঘোষণা দেন, চীনও পাল্টা ৬ হাজার কোটি ডলারের পণ্যে শুল্কারোপ করে। এডিবি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য যুদ্ধে বেইজিংয়ের প্রবৃদ্ধির ০.৫ ভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এদিকে এডিবির কর্তৃপক্ষ আরো জানান, এশিয়ার বৃহত্তর বাজার খুব তাড়াতাড়িই যুক্তরাষ্ট্রে হারানো আমদানি বাজারের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবে। এডিবির প্রধান অর্থনীতিবিদ ইয়াসুকি সাওদা বলেন, ‘এশিয়ার মোট বাণিজ্যের ৫০ ভাগই আন্ত-বাণিজ্যিক, এটি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাহ্যিকভাবে এশিয়াকে বৈশ্বিক শিল্প-কারখানা হিসেবে ধরা হয়, এশিয়াকে সরবরাহকারী অর্থনীতি হিসেবেই সবাই দেখে। কিন্তু যদি আমরা লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যায়, বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি মধ্য আয়ের ব্যক্তির বাস এশিয়াতে। আইবিটি, এএফপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত